প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
১লা পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৫শে জমাদিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

শিক্ষার্থীদের ভোটে ডাকসুর সভাপতি নির্বাচনের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২৫, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের ভোটে ডাকসুর সভাপতি নির্বাচনের দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাবি শাখা গঠনতন্ত্র সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আজ সংবাদ সম্মেলনে সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হবে। এসব প্রস্তাবে ডাকসুর সভপতি হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের ক্ষমতা কমানোর কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও নতুন কয়েকটি পদ বাড়ানোরও প্রস্তাব এসেছে।

Manual1 Ad Code

১৯২৫ সালের ৩০ অক্টোবর সংসদের সাধারণ সভায় ঢাকসুর খসড়া গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়। এতে ছাত্র প্রতিনিধি ও মনোনীত শিক্ষক প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত পরিষদ কর্তৃক কর্মকর্তা নির্বাচনের ব্যবস্থা রাখা হয়। তবে সেসময় সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাত্র প্রতিনিধির মধ্য থেকেই নির্বাচন করা হতো। ১৯৩৯ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়। ১৯৪৪-৪৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাহী পরিষদ আরেকটি সংশোধন অনুমোদন করে। ১৯৫৩ সালে ফের এর গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়। ১৯৯১ সালের ১৭ জুন সিন্ডিকেট সভায় একটি সংশোধনী আনা হয়। ১৯৯৮ ও ২০১৯ সালে সর্বশেষ ডাকসু গঠনতন্ত্রের সংশোধন করা হয়েছিল। এরপর ২০১৯ সালে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ডিসেম্বরে ফের ডাকসু নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আর এ ঘোষণার পরপরই গঠনতন্ত্র সংস্কারের দাবি জানিয়েছে ছাত্র সংগঠনগুলো।

Manual5 Ad Code

ছাত্রদলের সংস্কার প্রস্তাবনা সম্পর্কে নাম প্রকাশে এক নেতা বলেন, ডাকসুতে উপাচার্য সরাসরি নির্বাচিত না হয়েও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হন। আমরা তার ক্ষমতা হ্রাসের পক্ষে প্রস্তাব দেব। আমরা ডাকসুর সভাপতির পদ সরাসরি শিক্ষার্থীদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করার প্রস্তাব দেব। সহসভাপতি (ভিপি) পদে একটি ছেলে, আরেকটি মেয়েদের জন্য বরাদ্দ হতে পারে।

Manual5 Ad Code

ভোটার হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, যারা আবাসিক শিক্ষার্থী, তারা আবাসিক হলে ভোট দেবেন। আর অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে ভোটকেন্দ্র করতে হবে।

মঙ্গলবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে একটি সংস্কার প্রস্তাব প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে। এতে ভোটার সম্পর্কে বলা হয়, ভর্তির সময় থেকে অনূর্ধ্ব/সর্বোচ্চ ৭ বছর শিক্ষার্থী ভোটার এবং প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হবে। সভাপতির ক্ষমতা হ্রাস ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন সম্পর্কে বলা হয়, বিদ্যমান ডাকসু গঠনতন্ত্রে সভাপতিকে চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি জবাবদিহির ঊর্ধ্বে এবং তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত, যার ফলে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার মাধ্যমে সভাপতি স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সরাসরি সভাপতি হতে পারবে না। বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটা উপদেষ্টা পরিষদ থাকতে পারে, যারা ডাকসুর অভিভাবক ও নীতিনির্ধারণী অংশীজন হিসাবে কাজ করবে। পদাধিকারবলে উপাচার্য প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে থাকবেন।

Manual2 Ad Code

সহসভাপতির পদ বাতিল প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রস্তাবনায় বলা হয়, সহসভাপতি পদ বাতিল করে সভাপতি পদে উন্নীত করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সরাসরি ভোটে সভাপতি নির্বাচন করতে হবে। তিনি সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুপস্থিতিতে সভার সভাপতিত্ব করবেন। প্রতিটি আবাসিক হলের পাশাপাশি একাডেমিক এরিয়ায়ও ভোটকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। এছাড়া জোনভিত্তিক ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে। সে হিসাবে পাশাপাশি কয়েকটা হল নিয়ে খেলার মাঠগুলোয় জোন আকারে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code