প্রজন্ম ডেস্ক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটারের ৩৬ শতাংশ তরুণ। নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে এই তরুণ ভোটারদের বড় অংশ এখনও দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছেন। তাদের ভোট যারা নিজেদের বাক্সে আনতে পারবে শেষ হাসিটা তাদের জন্য অপেক্ষা করছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সুযোগ মিলছে। এ ভোটের জন্য নিবন্ধনের হার ১ শতাংশের মতো। আসনভিত্তিক হিসেবে পোস্টাল ভোট খুব বেশি নয়। তবে কিছু আসনে এই ভোট ফল নির্ধারণে নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। ঠিকানা পরিবর্তন করে ভোটারদের নির্বাচনি এলাকা পরিবর্তনের হারও ঢাকার বেশকিছু আসনে ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়ান নির্মাণ করে জনমতে প্রভাব বিস্তার করছে। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচন শুধু প্রার্থী বা প্রতীকের লড়াই নয়; ভোটে হার-জিতের অঙ্ক পাল্টে দিতে পারে এসব সমীকরণ।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রকাশিত দেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ। দেশে সর্বশেষ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি ১১ লাখ। অর্থাৎ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ৪ কোটি ৬৬ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন, যা মোট ভোটারের সাড়ে ৩৬ শতাংশ।
নতুন এই ভোটারদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সসীমার ভোটারদেরই তরুণ ভোটার বলে বেশিরভাগ গণতান্ত্রিক দেশে সংজ্ঞায়িত করা হয়। তা হিসাবে ধরলে বাংলাদেশে তরুণ ভোটারের সংখ্যা পাঁচ কোটি হয়ে যায়। বাংলাদেশের নির্বাচনে জয়- পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখে দোদুল্যমান ভোটাররা। অর্থাৎ যেসব ভোটার কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি ঝোঁক বা আনুগত্য প্রকাশ না করে নির্বাচনের সময় সবকিছু বিবেচনা করে ভোট দেয়।
১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি মানুষদের বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়ার একটিই কারণ তা হলো ভোটার হওয়ার পর তারা কোনো প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন দেখেননি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্র দলের ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ অধিকাংশ বিরোধী দল ওই নির্বাচন বর্জন করে, যা কলঙ্কিত ভোট হিসেবে আখ্যায়িত হয়। ২০১৮ সালে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও ভোটের আগের রাতেই আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্রদের পক্ষে সিল মেরে বাক্স ভরে রাখা হয়। যা ‘রাতের ভোট’ নামে খ্যাত।
২০২৪ সালের নির্বাচনও হয় প্রায় সব বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যে, যা ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পায়। ফলে আগামী নির্বাচনে নতুন ভোটাররা ভোট দিতে উদগ্রীব থাকবেন, এমনটা ভাবা অস্বাভাবিক নয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বে ছিলেন তরুণরা। দুই মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার-জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই তরুণ ভোটারদের ভোট কার বাক্সে যাবে, তা আগাম ধারণা করা কঠিন। নির্বাচনে প্রধান ফ্যাক্টর এই তরুণরা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির মধ্যে বিএনপির সমর্থকরা এখন মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা সামনে আনছেন। জামায়াতের দেশ পরিচালনার মতো দক্ষতা নেই এটিও বলার চেষ্টা করছেন তারা। বিএনপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জোর দিচ্ছে। দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে অনুসারী ৪৭ লাখ। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুসারী ৫৫ লাখ।
এ ছাড়া জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়াসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের নামে অসংখ্য ফেসবুক পেজ আছে। এগুলোর অনুসারীর সংখ্যাও কয়েক লাখ করে। অঙ্গসংগঠন, এমনকি জেলা-উপজেলা কমিটিরও আলাদা ফেসবুক পেজ রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারে জোর দিচ্ছে এই বলে যে বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে অতীতে দেখা হয়েছে। একবার জামায়াতকে ভোট দিয়ে দেখুন। জামায়াতের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ৩০ লাখের মতো অনুসারী আছে। দলটির আমির শফিকুর রহমানের অনুসারী ২২ লাখ। এ ছাড়া ‘বাঁশেরকেল্লা’ নামে একাধিক ফেসবুক পেজ থেকে জামায়াতের নানা খবর, তথ্য ও বয়ান প্রচার করা হয়। জামায়াতেরও প্রতিটি অঙ্গসংগঠন, জেলা-উপজেলা কমিটি এবং সহযোগী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সামাজিক মাধ্যমে তৎপর আছে।
এনসিপির অনেক প্রার্থী নিজেদের নতুন ধারার রাজনীতিক হিসেবে তরুণদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শীর্ষ নেতাদের অনেকেরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুলসংখ্যক তরুণ অনুসারী রয়েছেন। তাদের কাছে নিজেদের বার্তা দিচ্ছেন নিয়মিত। এর মধ্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ফেসবুক অনুসারী ১৪ লাখ। দলটির অন্যান্য নেতার প্রায় সবার কয়েক লাখ করে অনুসারী। তারা ফেসবুকে কোনো স্ট্যাটাস বা তথ্য দিলে হাজার থেকে কয়েক লাখ পর্যন্ত মানুষ লাইক-কমেন্ট করেন। এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেরও অনুসারী ১৪ লাখ। এর বাইরে জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স, এনসিপির সমর্থক গোষ্ঠীসহ নানা ফেসবুক পেজ থেকে দলটি এবং তাদের নেতাদের পক্ষে নানা বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে। তরুণ ভোটারদের টানতে এই উদাহরণ প্রচার করছে জামায়াত। এ ছাড়া দলের মনোনয়নেও অপেক্ষাকৃত তরুণদের এবার বেশি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, জামায়াতের ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের ৭০ থেকে ৮০ জন যুবক। ৫০ বছরের কম বয়সি প্রার্থী দুই- তৃতীয়াংশ। তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করেছে জামায়াত। তরুণ ভোটারদের টানতে জামায়াত এই কৌশল নিয়েছে বলে মনে করা হয়। তবে জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এনসিপি থেকে অনেক নারী নেত্রী ও নেতা দল ছেড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তি দেওয়া চলছে।
মোট ভোটারের হার ১ শতাংশ এবার প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটার দিচ্ছেন। আসনভিত্তিক হিসাবে পোস্টাল ভোট খুব বেশি নয়। তবে কিছু আসনে এই ভোট ফল নির্ধারণে নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে। আসনভিত্তিক নিবন্ধনে ফেনী-৩ আসন শীর্ষে। এখানে ১৬ হাজার ৯৩ ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এরপরই চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ৩০১ জন নিবন্ধন করেছেন। জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে কুমিল্লা। সেখানে ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। এরপর ঢাকায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ জন এবং চট্টগ্রামে ৯৫ হাজার ২৯৭ জন ভোটার পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করেছেন।
এ ছাড়া আসনভিত্তিক হিসাবে দেশ-বিদেশ মিলিয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন এমন আসন আছে ১৮টি। এর মধ্যে একটি ছাড়া সবকটি আসনই চট্টগ্রাম বিভাগে। সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে ফেনী-৩ আসনে, ১৬ হাজার ৩৮ জন। সাড়ে ১২ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন এমন আসনগুলো হলো চট্টগ্রাম-১৫ (১৪ হাজার ২৭২), কুমিল্লা-১০ (১৩ হাজার ৯৩৮), নোয়াখালী-১ (১৩ হাজার ৫৯২), নোয়াখালী-৩ (১২ হাজার ৭৪৫) এবং ফেনী-২ (১২ হাজার ৫৪১) আসন। ১০ হাজারের বেশি ও সাড়ে ১২ হাজারের কম ভোটার নিবন্ধন করেছেন- এমন আসনগুলো হলো কুমিল্লা-৪, ৫, ৬, ৯ ও ১১, সিলেট-১, চাঁদপুর-৫, নোয়াখালী-৪ ও ৫, ফেনী-১, কক্সবাজার-৩ ও লক্ষ্মীপুর-২।
পাঁচ হাজার থেকে শুরু করে ১০ হাজারের কম ভোটার নিবন্ধন করেছেন- এমন আসন ৯৭টি। বাকি আসনগুলোতে পোস্টাল ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা পাঁচ হাজারের কম। এর মধ্যে সবচেয়ে কম ১ হাজার ৫৪৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন বাগেরহাট-৩ আসনে। এ ছাড়া ৪৬টি আসনে পাঁচ হাজারের বেশি এবং ৬৬টি আসনে চার হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেন। সব মিলিয়ে ১১৬টি আসনে পাঁচ হাজারের বেশি পোস্টাল ভোট, যা ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এ বিষয়ে আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বলেন, ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন। নির্বাচনের ফল নির্ধারণে পাঁচ হাজার ভোটই অনেক বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। দেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম পোস্টাল ভোট এবং আমরা ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। ব্যালট পাঠানোর পর কী পরিমাণ ফিরে আসে, সেটি দেখার বিষয়। তবে আমরা আশাবাদী, ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন।
গত বছরের ১০ আগস্ট থেকে ১০ নভেম্বর এই তিন মাসে রাজধানী ঢাকার ভোটার তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। ঢাকার ৫৩টি থানার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন মিরপুর থানার বাসিন্দারা। এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ডেমরা ও পল্লবী। এ ছাড়া ভোটার এলাকা পরিবর্তনের হার সবচেয়ে কম ছিল বিমানবন্দর, মুগদা এবং কলাবাগান থানায়। নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (এনআইডি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মিরপুর থানায় সর্বোচ্চ এক হাজার ৬২৭ জন ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন।
এ ছাড়া, এক হাজার ৪৪৪ জন ভোটার পরিবর্তন নিয়ে ডেমরা দ্বিতীয় এবং এক হাজার ২৩৫ জন নিয়ে পল্লবী তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তালিকায় এক হাজার পার করা অন্য থানাগুলোর মধ্যে রয়েছে কেরানীগঞ্জ (১,২০৭ জন)।
বিপরীতে, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের হার সবচেয়ে কম ছিল বিমানবন্দর (২ জন), মুগদা (১২ জন) এবং কলাবাগান (১৫ জন) থানায়। সবচেয়ে বেশি ভোটার এলাকা পরিবর্তন হওয়া শীর্ষ ১০টি থানা হলো- মিরপুর থানায় ১ হাজার ৬২৭ জন, ডেমরা থানায় ১ হাজার ৪৪৪ জন, পল্লবী থানায় ১ হাজার ২৩৫ জন, কেরানীগঞ্জ থানায় ১ হাজার ২০৭ জন, বাড্ডা থানায় ৮৫১ জন, কাফরুল থানায় ৮১১ জন, সাভার থানায় ৭৭১ জন, খিলগাঁও থানায় ৭৪২ জন, যাত্রাবাড়ী থানায় ৭১৭ জন এবং পল্টন থানায় ৬৩৮ জন। বাকি থানাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ধামরাই (৬১৪ জন), কদমতলী (৬২১ জন), গুলশান (৫৯১ জন), রমনা (৫৪০ জন), ধানমন্ডি (৪৩৬ জন), বনানী (৪১৮ জন), ভাটারা (৩৯৭ জন), শাহজাহানপুর (৩৭৫ জন), তুরাগ (৩৫৬ জন), নবাবগঞ্জ (৩৪৫ জন), মোহাম্মদপুর (৩৩৬ জন) এবং ক্যান্টনমেন্ট (৩১৬ জন)। এ ছাড়া আদাবর থানায় ২৭৮ জন, শাহবাগে ২৮২ জন, উত্তরখান ১৬৫ জন এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় ২৩৪ জন ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন। তুলনামূলক কম পরিবর্তন হয়েছে ভাসানটেক (৯৬ জন), খিলখেত (৮০ জন), কোতোয়ালি (৭৭ জন) ও কামরাঙ্গীরচর (৭৩ জন) এলাকায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মেজবাহ-উল- আজম সওদাগর বলেন, পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচ কোটি তরুণ ভোটার এবারের নির্বাচনি লড়াইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক ফেলবে। সেসব বিবেচনায় নিয়ে দলগুলো তাদের নির্বাচনি প্রচার ও কৌশল তরুণদের প্রাধান্য দিয়েই করছে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্ট (এআই), পোস্টাল ব্যালট ভোটে প্রভাব ফেলবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ মোহাম্মদ আফছার খান সাদেক
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম
প্রকাশনালয়ঃ রিপোর্টার লজ, কসবা, বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ উত্তর বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদ মার্কেট (২য় তলা), বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
মোবাঃ ০১৮১৯-৬৫৬০৭৭, ০১৭৩৮-১১ ৬৫ ১২
ইমেইলঃ agamiprojonma@gmail.com, milad.jaynul@gmail.com