প্রজন্ম ডেস্ক:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি প্রায় ৯১ লাখ ভোটার। অথচ তারা বিগত নির্বাচনগুলোতে ভোট দিয়েছেন।
দেশটির সকল নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন। কিন্তু ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেয়।
অভিযোগ করা হয়, এদের একটি বড় অংশই বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ করেছে।
এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে, পর্যায়ক্রমে এসব নাগরিককে বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করা হতে পারে। যাদের আনুমানিক সংখ্যা প্রায় অর্ধকোটি হতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনের পর পুশইন ছাড়াও নানা ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। এরই মধ্যে গত শনিবার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এ পর্যন্ত পুশইনের কোনো ঘটনা না ঘটলেও গত শুক্রবার আসাম থেকে কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে ‘পুশইন’ করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে বিজিবি সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ৫ মে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় গণমাধ্যমকে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর যদি কোনো ধরনের পুশইনের ঘটনা ঘটে, তবে ঢাকা তার পাল্টাব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।”
এ বক্তব্য দেওয়ার পরপরই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
তিনি বলেন, “অবৈধভাবে অবস্থানরতদের তথ্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ এবং এর মূল সমস্যা খতিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীদের বিশদ বিবরণের তথ্য আমরা বাংলাদেশকে দিয়েছি, যেন তারা তাদের জাতীয়তা নিশ্চিত করে এবং সুশৃঙ্খলভাবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি বাংলাদেশ এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। আমরা এখানে থাকা অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের সুশৃঙ্খলভাবে ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রত্যাবাসন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।”
বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গত অক্টোবরে ভারতের ১২টি রাজ্যে এসআইআর শুরু হলেও পশ্চিমবঙ্গে এই প্রক্রিয়া নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সেখানে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল এসআইআর।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বারবার অভিযোগ করেছে, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে আসা এক কোটি ‘অনুপ্রবেশকারী’ রয়েছেন।
এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫০ লাখ থেকে ৯১ হাজার ভোটার বাদ পড়েছে।
এসআইআরের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকার কারণে সব সময়ই অনুপ্রবেশকারী নিয়ে একটা প্রশ্ন ছিল।
এদিকে ভারত বাংলাদেশকে দ্রুত চিহ্নিত অবৈধ বাংলাদেশিদের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে বলেছে। ঝুলে থাকা এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে ঢাকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ভারতে পররাষ্ট্র দপ্তর।
ভারত জানিয়েছে, প্রায় ২ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি নাগরিকের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ফাইল ঢাকার কাছে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে। এগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য চাপ দিচ্ছে নয়াদিল্লি।
এগুলো নিষ্পত্তি ছাড়াও এসআইআরে ঝুলে থাকা নাগরিকদের যুক্ত করা হলে পুশইনযোগ্য মানুষের সংখ্যা অর্ধকোটি ছাড়িয়ে যাবে।
কসবা সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নিহত
কসবা সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেনÑ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০) ও একই ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের মকরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৫৫)।
গত শুক্রবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহযোগিতায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের ভেতর ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার এলাকায় প্রবেশ করে। পরে ভারত থেকে চোরাচালানি মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৫৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের টহল দল তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএসএফ সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি হয় বলে দাবি করা হয়।
একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা বন্দুক থেকে দুই রাউন্ড ছররা গুলি ছোড়ে। এতে মুরসালিন ও নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বিএসএফ কমান্ড্যান্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কাজ শুরু করেন। একই সঙ্গে বিএসএফকে প্রটেস্ট নোট পাঠানো হয়।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কুইয়াপানিয়া গ্রামের ২০৩৭ পিলার এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার (সিও) পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজনীন সুলতানা, পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার দাস এবং ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল অজিত কুমার।
সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে পুশইন
কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) উপজেলার মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে ঠেলে পাঠিয়েছে বিএসএফ। গত শুক্রবার বিকালে বিজিবির মুরইছড়া বিওপির টহল দল তাদের আটক করে কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেনÑ নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা রাহুল তালুকদার (২৭), খালিয়াজুড়ী উপজেলার যোগীমারা গ্রামের যুবরাজ সরকার (৪২), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাঙাধর গ্রামের হাবুল দাস (৪৮), হাবুলের স্ত্রী সুমিত্রা দাস (৪৪), মেয়ে অনামিকা দাস (১৭) ও ভূমি দাস (৭), ছেলে হেমন্ত দাস (১৬), হামতপুর গ্রামের গোপাল দাস (২৭), সদর উপজেলার বক্তারগাঁও গ্রামের মো. আল আমিন (৩৫) ও আল আমিনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (১৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে মুরইছড়া চা-বাগান এলাকায় তাদেরকে সন্দেহজনক অবস্থায় ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিজিবিকে খবর দেয় স্থানীয়রা। ৪৬ ব্যাটালিয়নের মুরইছড়া ক্যাম্পের টহল দল তাদেরকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। আটককৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করার পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিএসএফ তাদের আটক করে মুরইছড়া সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠিয়েছে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্ল্যা জানান, বিজিবি তাদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করে। পরে স্বজনদের নিকট তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়।
কুড়িগ্রাম সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা
উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কঠোর করেছে বিজিবি।
অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও সীমান্তকেন্দ্রিক যেকোনো অপতৎপরতা ঠেকাতে সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)। গত শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলার দায়িত্বাধীন সীমান্ত এলাকায় ইতোমধ্যে নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত টহল মোতায়েনের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের প্রতিটি বর্ডার আউট পোস্ট (বিওপি) থেকে দিন-রাত নিরবচ্ছিন্ন টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিজিবি সূত্র বলছে, দেশের অখণ্ডতা রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ দমনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অটল রয়েছে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক পিএসসি জানান, “সীমান্ত এলাকায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সদস্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
“সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের গতিবিধির ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।”
লালমনিরহাটে টহল জোরদার
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন ও কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে গরু চোরাচালান প্রতিরোধে লালমনিরহাট সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)।
একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় টহল তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) থেকে শনিবার পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে যাতে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীটি।
এ ছাড়া কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তপথে গরু চোরাচালান ঠেকাতে অতিরিক্ত নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় রয়েছে ২৪ কিলোমিটার নদীপথ সীমান্ত। এসব এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে ১৭টি বিওপি ও একটি স্পেশাল ক্যাম্প।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন, মানবপাচার ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সব সময় আপসহীন। যেকোনো পরিস্থিতিতে সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে থাকবে বলেও তিনি জানান।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ মোহাম্মদ আফছার খান সাদেক
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম
প্রকাশনালয়ঃ রিপোর্টার লজ, কসবা, বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ উত্তর বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদ মার্কেট (২য় তলা), বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
মোবাঃ ০১৮১৯-৬৫৬০৭৭, ০১৭৩৮-১১ ৬৫ ১২
ইমেইলঃ agamiprojonma@gmail.com, milad.jaynul@gmail.com