প্রজন্ম ডেস্ক:
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তারের পর থেকে চলছে নানামুখী আলোচনা। তিনি কীভাবে ধরা পড়লেন, কীভাবে ফেরত আনা হবে, কবে নাগাদ নিয়ে আসা হতে পারে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সচেতন মহল।
পাশাপাশি বেনজীরের ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তদের বিষয়ে সরকারের ‘স্পষ্ট’, ‘অটল’ ও ‘আপোসহীন’ মনোভাব নিয়েও বিশ্লেষণ করছেন রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা।
তারা বলছেন, বিদেশে পালিয়ে বেড়ানো বেনজীরের মতো একসময়ের প্রতাপশালী কর্মকর্তাকে আইনের আওতায় আনতে সরকার নীরবে ইন্টারপোলসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে গেছে।
এরই ফলশ্রুতিতে অভিযুক্ত বেনজীরের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি করলে ধরে ফেলে দুবাই পুলিশ। এর আগে গত ২৪ মার্চেও সরকারের এক পদক্ষেপ অনেককে অবাক করে দেয়।
সেদিন ‘ওয়ান-ইলেভেন’ হিসেবে বিতর্কিত সেনাসমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে মানবপাচার ও আর্থিক অপরাধ-সংশ্লিষ্ট মামলায় আটক করা হয়। অথচ অনেকে ধারণাই করতে পারেননি যে তাকে আইনের আওতায় আনবে সরকার।
বিশ্লেষকদের ভাষ্যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ এখন এমন এক পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে ক্ষমতা, পদমর্যাদা কিংবা বিদেশে অবস্থান কোনো কিছুই আর অপরাধের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করবে না।
এ প্রসঙ্গে সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল আউয়াল ঠাকুর বলছিলেন, “মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং বেনজীর আহমেদ—এই দুটি ঘটনা যে সুনির্দিষ্ট বার্তা দিচ্ছে তা হচ্ছে, সরকার ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপোসহীন, কোনো ছাড় নেই। সরকারের বক্তব্য কথার কথা হয়ে থাকছে না, বরং কাজে পরিণত হচ্ছে—এটাই বড় বিষয়। সরকার আসলে কোনো বিষয় নিয়ে উচ্চবাচ্য করছে না। সংসদে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবুর রহমান যেমন বলেছিলেন—‘কোথায় আজ সিরাজ শিকদার’, সরকারের পক্ষ থেকে কেউ কিন্তু এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলছেন না যে—‘কোথায় আজ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী’। অথচ এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব এই মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং তাদের অনুগতদের জন্য খোদ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে (তারেক রহমান) যে নির্মম শারীরিক ও মানসিক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল, তা এখন সবারই জানা। সুতরাং আমরা দেখছি, সরকারের কোনো উচ্ছ্বাস নেই, কিন্তু সিদ্ধান্ত আছে। নীরবে ক্রমান্বয়ে পৌঁছে যাচ্ছে অভীষ্ট লক্ষ্যে।”
এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) ইমরান বলেন, “বেনজীর আহমেদ ও মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মামলার প্রকৃতি ভিন্ন হলেও কিছু বিষয় অভিন্ন। উভয়েই ছিলেন ফ্যাসিস্ট সরকার আওয়ামী লীগের আস্থাভাজন। দুজনেই আওয়ামী আমলে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। মাত্রাগত পার্থক্য থাকলেও অনৈতিক সম্পদ অর্জন করেছেন দুজনেই। তারা দুজনেই তাদের সংশ্লিষ্ট বাহিনীর জন্য খারাপ নজির বলা যায়। অন্যদিকে রাজনৈতিক দিক থেকে বিবেচনা করলে বলা যায়, এই দুই ব্যক্তিই বর্তমান বিএনপি সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব (যখন বিরোধী দলে ছিলেন) এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর সীমাহীন নির্যাতন ও নিপীড়নের কারণ। সুতরাং তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনা প্রমাণ করে, অপরাধী যেই হোক না কেন, পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।”
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সামরিক বাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, “ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টে থাকা একাধিক ব্যক্তি বিদেশে গ্রেপ্তার ও পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ করে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ঘটনা ইতঃপূর্বে ঘটলেও বেনজীরের মতো হাই-প্রোফাইল কোনো ব্যক্তির গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।”
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, “সরকার নিজের থেকে কিছুই বলছে না, তারা কাজের মাধ্যমেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছে। বিষয়টি ইতিবাচক। আমার মনে হয়, বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত অসংখ্য নেতাকর্মী যে সীমাহীন জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়েছে, তা নজিরবিহীন। সুতরাং বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সেটি ভুলে গিয়ে কাউকে ছাড় দেবে, আঁতাত কিংবা আপোষ করবে—এই ধারণা অমূলক। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সরকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করবে। এখানে রাঘব বোয়াল কিংবা চুনোপুঁটি হিসেবে কাউকে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।”
বেনজীরের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
প্রাপ্ত তথ্য বলছে, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও অনেক। বিরোধী নেতা-কর্মীদের দমন-পীড়নসহ গুম ও খুনের অনেক মামলা রয়েছে তার নামে।
বিশেষ করে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন ঘিরে শাপলা চত্বর ট্র্যাজেডির মূল হোতা হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়। ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র র্যাব ও এর সাত সাবেক ও তৎকালীন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এই তালিকায় বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। তখন তিনি আইজিপি ছিলেন।
২০২২ সালে অবসর নেন বেনজীর। তখন তাকে আর কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়নি। সাবেক আইজিপিদের অনেককে রাষ্ট্রদূত বা অন্য পদ দেওয়ার ঘটনা আছে। ধারণা করা হয়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বেনজীর আহমেদকে বড় কোনো পদে বসায়নি সরকার।
এমনকি নিজের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের ক্ষেত্রেও অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ আছে, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ নিজের পরিবারের সদস্যদের নামেও রেখেছেন তিনি। ফলে তার স্ত্রী ও মেয়েরাও মামলার আসামি এবং পলাতক।
১৯৮৮ সালে পুলিশে যোগ দেওয়া বেনজীর আহমেদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার (২০১০–২০১৫) এবং র্যাব মহাপরিচালকের (২০১৫–২০২০) দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালের এপ্রিলে তাকে আইজিপি করা হয়। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন।
অবসরের পরও তিনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সুবিধা পেতেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ছয়জন সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্য, দুজন সশস্ত্র দেহরক্ষী এবং তিনজন পাহারাদার তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে ২০২৪ সালের শুরুতে। পত্রিকাগুলোতে তার অপকর্মের ফিরিস্তি প্রকাশ হতে থাকলে বেনজীর গা-ঢাকা দেন। অভিযোগ ওঠে, তৎকালীন সরকারের ‘সিগন্যাল’ পেয়েই তিনি দেশ ত্যাগ করেন। বিমানবন্দরে তাকে আটকানো হয়নি।
সেই সময় সিসিটিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, ২০২৪ সালের ৪ মে রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বেনজীর আহমেদ সপরিবারে দেশ ছাড়েন।
‘ওয়ান-ইলেভেন’র কুশীলব মাসুদ উদ্দিন
সেনাবাহিনীর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ২০০৭ সালের ‘ওয়ান-ইলেভেন’র সময় ছিলেন ক্ষমতার নেপথ্যের একজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা। তখন তিনি ছিলেন সাভারে অবস্থিত সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরকে (ডিজিএফআই) সঙ্গে নিয়ে পুরো পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন। গুরুতর অপরাধ দমনসংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি, শীর্ষ রাজনীতিকদের গ্রেপ্তার, বিশেষ কারাগার, রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস—সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল তার নাম। ওই সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শারীরিকভাবে গুরুতর নির্যাতনে যাদের নাম এসেছিল, তাদের নেপথ্যে মাসুদ উদ্দিনের নামও শোনা যায়।
ওই নির্যাতনের মাত্রা এতই বেশি ছিল যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবারও (১৬ জুন) ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে সেই দুঃসহ স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, সেসময় তাকে নির্যাতনের পর মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছিল, তাৎক্ষণিক যে চিকিৎসা দেওয়া দরকার ছিল, সেটাও দেওয়া হয়নি, যার ক্ষত আজও তাকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে।
সেই বিতর্কিত সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মাসুদ উদ্দিনের চাকরির মেয়াদ বাড়ে। তারপর তিনি সাবেক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টির মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। নামেন বিদেশে জনশক্তির ব্যবসায়। এই ব্যবসায়ও বিদেশ গমনেচ্ছুদের কাছ থেকে বিপুল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
অবশেষে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়া মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ডিএমপির বনানী, পল্টন, কোতোয়ালী, মিরপুর ও হাতিরঝিল থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মানবপাচার প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং-সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধের অভিযোগে মামলা রয়েছে।
সরকারের স্পষ্ট বার্তা
মাসুদ উদ্দিনকে আইনের আওতায় আনার পর বেনজীরের মতো রাঘববোয়ালকেও জালে আনার মধ্য দিয়ে সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, দেশে বা বিদেশে থাকুক, অপরাধী বা আসামি ধরতে সরকার নীরবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, ইন্টারপালের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বেনজীরকে গ্রেপ্তারে তাদের সেই তৎপরতারই প্রমাণ দেওয়া হলো। এই তৎপরতার নজির হয়তো সহসা আরও সামনে আসবে।
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর তারেক রহমানকে দেশে ঢুকতে না দিয়ে বিদেশে নির্বাসিত থাকতে বাধ্য করা, এমনকি তার ভাই আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর সময়ও তাকে শেষ দেখা দেখতে না দেওয়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কথিত দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে নিক্ষেপ করে চিকিৎসাবঞ্চিত করার মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া; চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলী, সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত পতিত আওয়ামী লীগ ও তাদের অনুগামী অপশক্তির সঙ্গে বিএনপির নেতৃত্বের আপসের গালগল্প যারা ছড়াতে চাইছেন, তাদের জন্য এমন নজির উচিত জবাব হিসেবে হাজির হবে।
এ প্রসঙ্গে সাবেক এক আমলা বলছেন, বেনজীর আহমেদ এবং মাসুদ উদ্দিনের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে একটি বিষয় খুবই স্পষ্ট, তা হচ্ছে অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক, যত দূরেই থাকুক, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আইনের নাগালের বাইরে কেউ নয়। বিগত সময়ে পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মামুন এমরান খান হত্যা মামলার আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানসহ ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টের মাধ্যমে অনেক আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এমনকি পালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করেও তার পিতার খুনিদের মধ্যে যারা বিদেশে অবস্থান করছিলেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে পারেননি। আর বর্তমান সরকার চার মাসের মধ্যে বেনজীরকে দুবাইতে গ্রেপ্তার করাতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং সরকারের সিরিয়াসনেস কোন পর্যায়ে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অবশ্যই এখনো অনেক ধাপ বাকি, তবে আমি মনে করি সরকারের মেসেজ খুবই ক্লিয়ার। যারা তাদের ভোগান্তির কারণ কিংবা সর্বোপরি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের শত্রু, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতাপশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি জনআস্থা বাড়ে। তখন সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে, ক্ষমতা বা প্রভাব চিরস্থায়ী নয়; অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ মোহাম্মদ আফছার খান সাদেক
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম
প্রকাশনালয়ঃ রিপোর্টার লজ, কসবা, বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ উত্তর বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদ মার্কেট (২য় তলা), বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
মোবাঃ ০১৮১৯-৬৫৬০৭৭, ০১৭৩৮-১১ ৬৫ ১২
ইমেইলঃ agamiprojonma@gmail.com, milad.jaynul@gmail.com