প্রজন্ম ডেস্ক:
দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়লেও গবেষণা খাতে সেভাবে বাড়ছে না বরাদ্দ ও ব্যয়। উল্টো আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মানহীন ও ‘কপি-পেস্ট’ (প্লেজিয়ারিজম) গবেষণা। মূলত শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক পদোন্নতি ও ইনক্রিমেন্টের জন্য গবেষণাপত্র (রিসার্চ পেপার) বাধ্যতামূলক হওয়ায় এই নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এর সুযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নাকের ডগায় গড়ে উঠেছে অনলাইনে গবেষণাপত্র ও থিসিস বেচাকেনার জমজমাট হাট, যেখানে চাইলেই মাত্র ২৪ ঘণ্টায় টাকা দিয়ে মিলছে গবেষণাপত্র।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি ও উপযুক্ত গবেষণা পরিবেশের তীব্র সংকটের কারণেই মূলত শিক্ষাক্ষেত্রে এই চরম নৈতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। শিক্ষকদের অভিযোগ, যথাযথ তদারকি না থাকায় নামমাত্র ও অসার গবেষণার পেছনে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের অপচয় ঘটছে। অপরদিকে তীব্র ফান্ড সংকটের কারণে দেশের মেধাবী গবেষকদের একটি বড় অংশ উন্নত দেশগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই যদি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটি সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ করা না হয়, তবে দেশের গবেষণা খাত কেবল কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে; তা বাস্তবে কোনো অবদান রাখবে না।
ইউএনডিপির তথ্য বলছে, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ০.৩ শতাংশ গবেষণায় ব্যয় হয়। ভারতের ক্ষেত্রে এ হার ০.৮৪ শতাংশ এবং চীনের ক্ষেত্রে ২.৬৯ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ০.৩ শতাংশ মাত্র ব্যয় করে।
শিক্ষাবিদদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ দুটি–জ্ঞান বিতরণ এবং গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি। কিন্তু বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় কাজটি দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত গুরুত্ব পায়নি। গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক প্রকাশনার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) দীর্ঘ সময়ের গবেষণা বরাদ্দের হিসাবেও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার চিত্র উঠে এসেছে।
ইউজিসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৪-৯৫ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে প্রায় ১ হাজার ৫০১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত ও শিক্ষক গবেষণা খাতে ১ হাজার কোটি ৭৭ লাখ টাকা, বিশেষ ও পিএইচডি গবেষণা খাতে প্রায় ২০১ কোটি টাকা এবং ইউজিসির অন্যান্য গবেষণা বরাদ্দ হিসেবে ২৯৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৪-৯৫ থেকে ২০০০-০১ অর্থবছর পর্যন্ত নিয়মিত বা বিশেষ গবেষণা খাতে সরাসরি বরাদ্দ ছিল না। ওই সময়ে ইউজিসির মাধ্যমে ১৬ লাখ থেকে ২৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হয়েছিল। ২০০১-০২ অর্থবছরে নিয়মিত গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ২০১০-১১ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে গবেষণা বরাদ্দ ছিল ১২ কোটির কিছু বেশি। ২০১৯–২০ অর্থবছরে মোট গবেষণা বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট বরাদ্দ ছিল ১৪৪ কোটি টাকা। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রাক্কলিত মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২২৬ কোটি টাকা।
১৯৯৪ সালে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। বর্তমানে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৬১টি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ১১৬টি। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকসংখ্যা ৩৪ হাজারের বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ও শিক্ষকের সংখ্যা বাড়লেও গবেষণার প্রয়োজনের তুলনায় অর্থায়ন পর্যাপ্ত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
গবেষণা হচ্ছে কিন্তু জীবনঘনিষ্ঠ নয়
গবেষণায় অর্থ ব্যয় ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার ফল সমাজে কতটা প্রভাব ফেলছে-এমন প্রশ্নে ইউজিসির রিসার্চ গ্র্যান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওমর ফারুক বলেন, গবেষণা একেবারে হচ্ছে না, তা বলা যাবে না। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও গবেষণা হচ্ছে। এ বছর গবেষণায় বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষকদের আবেদনের ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি আগের ৩ বছরে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং কী ধরনের গবেষণা হয়েছে, তা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তবে অধিকাংশ গবেষণা মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ হচ্ছে না–এ বিষয়ে তিনি একমত প্রকাশ করেন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ব্যয়েও বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ইউজিসির ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বছর ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় কোনো অর্থ ব্যয় করেনি। ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যয় করেছে ১ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং আটটি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যয় করেছে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা। একই প্রতিবেদনে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ব্যয় ৬৪ কোটি টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টির পাবলিক হেলথ প্রোগ্রাম, ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় বিদেশি দাতা সংস্থার অর্থায়ন রয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ বলেন, কৃষি খাতে দেশে ভালো গবেষণার নজির রয়েছে। ধানের উন্নত জাত উদ্ভাবন ও পাটের বহুমুখী ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। তবে অন্যান্য খাতে এমন গবেষণার উদাহরণ তুলনামূলকভাবে কম, যা মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তার মতে, শিল্পপ্রযুক্তি ও উৎপাদন খাতে দেশীয় গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটি গবেষণায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এ অর্থে ১ হাজার ১০০টি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা এসেছে ইউজিসি থেকে; বাকি অর্থের উৎস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিদেশি দাতা সংস্থা।
বিশ্ববিদ্যালয়টির রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ এম আমিনুজ্জামান বলেন, সম্প্রতি কৃষি রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল কাইয়ুমের নেতৃত্বে সবজি ও পানিতে কীটনাশক শনাক্তের সহজ পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ পদ্ধতির ফলে পরীক্ষার খরচ ৬ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ২৫০ টাকায় আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
২০২৩ সাল থেকে ইউজিসির হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার বিস্তৃতি ঘটছে বলে দাবি করছে ইউজিসি। বিশ্বব্যাংকের ঋণসহায়তায় পরিচালিত পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। তবে প্রকল্পটির অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অসন্তোষের খবর পাওয়া গেছে।
প্রকাশনা বাড়ছে, প্রশ্ন গবেষণার মান নিয়ে
আন্তর্জাতিক গবেষণা-তথ্যভান্ডার স্কোপাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে প্রকাশনার সংখ্যা ২১ শতাংশ বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষাবিদদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু গবেষণাপত্র শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। গবেষণার ফল অনেক ক্ষেত্রে জার্নালের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকছে। পাশাপাশি চৌর্যবৃত্তি, তথ্যের অসংগতি এবং অন্যের লেখা নকল করার ঘটনাও উদ্বেগ তৈরি করছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশি গবেষকদের অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন, তথ্যের অসংগতি ও চৌর্যবৃত্তিসহ বিভিন্ন কারণে এসব প্রবন্ধ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ তালিকায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এসেছে।
গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে ইউজিসির স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স বিভাগ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন অ্যান্টি-প্লেজারিজম নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে বলে জানা গেছে।
ইউজিসির কর্মকর্তারা জানান, বরাদ্দ দেওয়ার পরও অনেক সময় গবেষণার অর্থ পুরোপুরি ব্যয় হয় না। কিছু অর্থ সরকারের কোষাগারে ফেরত যায় বলেও জানা গেছে। গবেষণার জন্য বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার পর্যবেক্ষণে জনবল ও কারিগরি সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শিক্ষাবিদদের মতে, গবেষণার জন্য ইউজিসির অধীনে একটি স্বাধীন জাতীয় গবেষণা তহবিল গঠন করা যেতে পারে। এ তহবিল থেকে মেধা, গবেষণার মান ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষকদের বড় অঙ্কের অনুদান দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর সফটওয়্যার ও নীতিমালা চালু করা প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় শিল্পকারখানা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। এ ক্ষেত্রে কর রেয়াতের মতো প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে বলে তাদের মত।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ বলেন, সরকার, ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত গবেষণা পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। গবেষণা কাউন্সিলের মাধ্যমে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তার মতে, দেশে গবেষণা হলেও গবেষকদের কতজন মেধা, মনন ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। গবেষণায় বরাদ্দ শুধু সরকার নয়, শিল্পকারখানা মালিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু দেখা যায়, এ দেশের শিল্পপতিরা আগ্রহী না। কারণ তারা খুব দ্রুত মুনাফা চান। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় তারা বিশ্বাস করেন না।
অনলাইনে গবেষণাপত্র কেনাবেচা জমজমাট
বাংলাদেশে অনলাইনে গবেষণাপত্র, টার্ম পেপার ও থিসিস লিখে দেওয়ার সেবা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আগে নীলক্ষেতকেন্দ্রিক এ ধরনের ব্যবসার কথা বেশি শোনা গেলেও এখন বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে একাডেমিক লেখা তৈরির বিজ্ঞাপন দেখা যায়।
‘বিডি রিসার্চ পেপার’ নামে একটি ওয়েবসাইটে গবেষণাপত্র, টার্ম পেপার, স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি), গবেষণা প্রস্তাব, থিসিস ও রিভিউ পেপার তৈরির সেবার উল্লেখ রয়েছে। ওয়েবসাইটটিতে যোগাযোগের জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও দেওয়া আছে।
ওয়েবসাইটটির বিজ্ঞাপনে দেওয়া হয়েছে– অভিজ্ঞ লেখকদের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মৌলিক ও চৌর্যবৃত্তিমুক্ত লেখা সরবরাহের দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা সহায়তা ও বিনামূল্যে সংশোধনের সুবিধার কথাও বলা হয়েছে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ মোহাম্মদ আফছার খান সাদেক
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম
প্রকাশনালয়ঃ রিপোর্টার লজ, কসবা, বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ উত্তর বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদ মার্কেট (২য় তলা), বিয়ানীবাজার, সিলেট ।
মোবাঃ ০১৮১৯-৬৫৬০৭৭, ০১৭৩৮-১১ ৬৫ ১২
ইমেইলঃ agamiprojonma@gmail.com, milad.jaynul@gmail.com