মৌলভীবাজার-৪ আসন: এনসিপিসহ তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
মৌলভীবাজার-৪ আসন: এনসিপিসহ তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬ জন প্রার্থীর মধে ভোটের সীমা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় এনসিপিসহ তিনজন প্রার্থীর জামানত নির্বাচনী আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
Manual6 Ad Code
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশ শাপলা কলি প্রতীকে ৪ হাজার ৫৬৩ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল হাসান মই প্রতীকে ৯৮১ ভোট এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জরিপ হোসেন লাঙ্গল প্রতীকে ৯২৪ ভোট পেয়েছেন।
Manual1 Ad Code
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯১৬টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬১ ভোট ও বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৮৫৫। এর মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহসিন মিয়া ৩৪ হাজার ১৪৭ ভোট।
Manual6 Ad Code
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। আর এই বিধি অনুযায়ী এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে অংশ নেওয়া ৩ জন প্রার্থী নির্বাচনি বিধান অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের নির্ধারিত শতাংশ না পাওয়ায় এসব প্রার্থী জামানত ফেরত পাচ্ছেন না।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত ভোটের সীমা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থীর জামানত নির্বাচনী আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
Manual1 Ad Code
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও ভোটারদের কৌশলগত ভোট জামানত হারানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ নির্বাচনে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে গড় ভোট পড়েছে প্রায় ৫৫.৯৬ শতাংশ। এ আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হয়। ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট পড়ে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪২৮ ভোট। আর ‘না’ ভোট পড়ে ১ লাখ ৭ হাজার ৬৩৩টি।