জামায়াত-এনসিপি জোটের আসন ঘোষণা দু-এক দিনের মধ্যেই: নাহিদ
জামায়াত-এনসিপি জোটের আসন ঘোষণা দু-এক দিনের মধ্যেই: নাহিদ
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটভুক্ত কারা কত আসনে প্রার্থী দেবে, সেটি চূড়ান্ত নাহলেও এনসিপি কত আসনে প্রার্থী দেবে তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
Manual6 Ad Code
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) চিফ ইলেকশন অবজারভার আইভার্স ইজাবসের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
Manual7 Ad Code
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই এনসিপি জোট কত আসনে নির্বাচন করবে, তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
Manual7 Ad Code
দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান নির্বাচনী সুযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম। তার অভিযোগ, বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রটোকল দেওয়ার কারণে প্রশাসনে পক্ষপাতের বার্তা যাচ্ছে। এতে নির্বাচনী মাঠে অসম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
এনসিপি নেতা বলেন, ‘আমরা মনে করছি, বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সরকারিভাবে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা, বিশেষ করে প্রটোকল দেওয়ার মাধ্যমে একধরনের সিগন্যালিং করা হচ্ছে এবং যেটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে বাধা তৈরি করতে পারে, এটা অসম অবস্থা তৈরি করতে পারে। কারণ, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কিন্তু এইটা একধরনের মেসেজ যায় যে সরকার কার পক্ষে আছে।’
মিডিয়ার একদিকে ঝুঁকে যাওয়ার প্রবণতা দেখতে পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি বা এনসিপিকে নিয়ে মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতে নানা ধরনের নেতিবাচক নিউজ বা ফলস নিউজ। বিশেষত কয়েকটি মিডিয়াতে এটি টার্গেটভাবে করা হচ্ছে। তো এটা আসলে আমাদের যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রশাসনিকভাবে বা মিডিয়ার জায়গা থেকে সেই সুযোগ-সুবিধাটা কিন্তু সমভাবে যাতে হয়, সেটা আমাদের চাওয়া থাকবে। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে কিন্তু বারবার আমরা এটা বলেছি।’
ঋণখেলাপি প্রার্থীদের বিষয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, অনেক ঋণখেলাপি প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সংখ্যা আরও বেশি হওয়া সত্ত্বেও অল্প কয়েকজনকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থান দাবি করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। ইইউ চায় নির্বাচন সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও গ্রহণযোগ্য হোক, যাতে ফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর নির্বিঘ্ন হয়। এ জন্য সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা চেয়েছে সংস্থাটি।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় নির্বাচনী মাঠে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। হত্যাকারীরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে।