বৃষ্টিতে নগরভবনে ইশরাক সমর্থকদের অবস্থান, উপদেষ্টা আসিফের পদত্যাগ দাবি
বৃষ্টিতে নগরভবনে ইশরাক সমর্থকদের অবস্থান, উপদেষ্টা আসিফের পদত্যাগ দাবি
editor
প্রকাশিত মে ২৯, ২০২৫, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে ইশরাক হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে নগর ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তার সমর্থকরা।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরভবনে একত্রিত হয়েছেন তারা। এ সময় স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার পদত্যাগ দাবি করেন সমর্থকরা।
Manual2 Ad Code
‘শপথ শপথ শপথ চাই, ইশরাক ভাইয়ের শপথ চাই,’ ‘মেয়র নিয়ে টালবাহানা, সহ্য করা হবে না’, ‘চলছে লড়াই চলবে, ইশরাক ভাই লড়বে’, ‘নগর পিতা ইশরাক ভাই, আমরা তোমার ভুলি নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিচ্ছেন তারা।
Manual4 Ad Code
এছাড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ দাবি করে ‘এক দফা এক দাবি, আসিফের পদত্যাগ’ স্লোগান দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।
এর আগে ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে বেলা সাড়ে ১১টায় এ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচিতে ইশরাকের সমর্থকদের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের বড় একটি অংশ উপস্থিত রয়েছেন।
গত ১৪ মে নগর ভবনে বিক্ষোভ শুরু হয়। ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে আন্দোলনে নামেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মচারী ও ইশরাকের সমর্থকরা।
নগর ভবনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ইশরাক হোসেনের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭শে মার্চ রায় দেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল। আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭শে এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
কিন্তু তাকে যেন শপথ পড়ানো না হয় সেজন্য গত ১৪ মে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মামুনুর রশিদ।
Manual3 Ad Code
এমন পরিস্থিতিতে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে ইশরাক সমর্থকরা লাগাতার আন্দোলনে নামলেও আইনি জটিলতার কথা বলে ইশরাকের শপথের আয়োজন থেকে বিরত থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
Manual3 Ad Code
এদিকে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ দেওয়া হবে কিনা, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এই পর্যবেক্ষণ দেন।