জেলার পর এবার মহানগর যুবদলের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ
জেলার পর এবার মহানগর যুবদলের সভাপতি-সম্পাদককে শোকজ
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২২, ২০২৫, ০৬:১০ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ফরিদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি ও সম্পাদককে শোকজের একদিন পর এবার মহানগর যুবদলের সভাপতি এম এম ইউসুফ ও সাধারণ সম্পাদক আলী রেজোয়ান বিশ্বাসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
Manual8 Ad Code
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নোটিশ দেওয়া হয় তাদের।
Manual1 Ad Code
চিঠিতে বলা হয়, ‘আপনারা যথাক্রমে ফরিদপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে থেকেও মহানগর যুবদলের কার্যক্রম পরিচালনায় শৈথিল্য প্রদর্শন করেছেন, যার ফলে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে- এ মর্মে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ডের জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সম্মুখে দাঁড়িয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো।
এর আগে, মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নায়াব ইউসুফ ফরিদপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এ কে আজাদের সফরসঙ্গী। যুবলীগ, ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পরমান্দপুরে উপস্থিত হয়ে আপত্তিকর ভাষা ও স্লোগান দিয়ে আমাদের (যুবদলের) নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয়। গত দুদিন যাবৎ আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছে।
Manual1 Ad Code
এসব অভিযোগের বিষয়ে এদিন দুপুরে এ কে আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, সংবাদ সম্মেলনে তিনি (নায়াব ইউসুফ) মিথ্যাচার করেছেন। মূলত আমার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে তিনি এসব করছেন। আমি কোনো রকম প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না এটা ফরিদপুরবাসী ভালো করেই জানেন।
ফরিদপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি এম এম ইউসুফ বলেন, আমাদের নামে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে কিনা, তা আমি জানি না। তবে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, আগামীকাল বিকেল ৪টার মধ্যে ঢাকায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে দেখা করতে হবে।
Manual5 Ad Code
প্রসঙ্গত, রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ কে আজাদ ফরিদপুর সদরের পরমান্দপুর বাজারে গণসংযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লুৎফর রহমান ও কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নান্নু মোল্লার নেতৃত্বে একটি মিছিল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। মিছিলকারীরা একে আজাদকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন এবং ‘অ্যাকশন, অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ বলে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী একজনের কাছে কেন্দ্রীয় মহিলাদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী নায়াব ইউসুফের পোস্টারও দেখা যায়। একপর্যায়ে যুবদলের ওই নেতারা বহরের শেষের দুটি গাড়িতে আখ ছুড়ে মারে ও কাচ ভাঙচুর করে।