স্টাফ রিপোর্টার:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলা ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে, সে লক্ষ্যে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় এই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
সিলেটের কিছু কিছু এলাকায় শুক্রবার রাত থেকে অবৈধ পারাপার রোধে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি শনিবার সকাল থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। সেই সাথে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে সীমান্ত এলাকায়। সেই সাথে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে সিলেট ৪৮, জকিগঞ্জ ১৯ এবং বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধীনস্থ সীমান্তবর্তী বিওপি এলাকায় বিশেষ টহল কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
Manual2 Ad Code
জানা যায়, শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর দেশের অভ্যন্তরে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
Manual4 Ad Code
এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী বিওপিগুলোতে চলমান নিয়মিত ১৫টি টহলের পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারে আরও ১৫টি বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবি হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান জানান, ঢাকার ঘটনার পর থেকে ৫৫ বিজিবি অধীন ১৬টি বিওপি নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত বিশেষ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য পলায়ন ও অবৈধ পারাপারের স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে প্রয়োজনীয় বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ৫৫ বিজিবি হবিগঞ্জ জেলার প্রায় ১০৩ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের পাশের দেশে পলায়ন ও সব ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
Manual3 Ad Code
সিলেট ও সুনামগঞ্জের অধিকাংশ এলাকার দায়িত্বে থাকা সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকায় ৪/৫ টি মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। এর বাইরেও প্রতিটি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত টহল মোতায়েন করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।