স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পাশে দাঁড়িয়ে তার পদত্যাগ চাইলেন সাদিক কায়েম
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পাশে দাঁড়িয়ে তার পদত্যাগ চাইলেন সাদিক কায়েম
editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির হামলাকারীদের গ্রেপ্তারসহ ৩ দফা দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। অনতিবিলম্বে তিনদফা দাবি না মানা হলে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন না দেখাতে পারলে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে-এমন দাবি জানিয়েছেন ডাকসু ভিপি।
Manual1 Ad Code
মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সাদিক কায়েম যখন কথা বলছিলেন, তখন পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তাকে অনেকটা বিব্রতও দেখাচ্ছিল।
Manual5 Ad Code
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, অনতিবিলম্বে দাবি না মানা হলে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন না দেখাতে পারলে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।
সাদিক কায়েম তিনটি দাবি পড়ে শোনান। বলেন, ‘আমাদের ভাই ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের সঙ্গে জড়িত প্রত্যক্ষ হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহায়তাকারী সকল সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। গোয়েন্দা সংস্থাসহ রাষ্ট্রের সকল সংশ্লিষ্ট অর্গানকে দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং যাদের গাফিলতি প্রমাণিত হবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। একই সঙ্গে যারা এই হামলাকে সমর্থন যুগিয়েছে, হাদি ভাই ও জুলাই বিপ্লবীদের হত্যাযোগ্য করে তুলেছে, সেই কালচারাল ফ্যাসিস্টদের সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ বয়কট করতে হবে। এসব ব্যবস্থা অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান করতে হবে।’
Manual7 Ad Code
দ্বিতীয় দাবিতে তিনি বলেন, ‘আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এলাকাভিত্তিক চিরুনি অভিযান শুরু করতে হবে। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সকল সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে হবে এবং সব ধরনের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের অবহেলা আর সহ্য করা হবে না।’
Manual4 Ad Code
শেষ দাবিতে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রথম ও অপরিহার্য পদক্ষেপ হিসেবে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্রদত্ত রায় কার্যকর করতে হবে। গণহত্যাকারী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার প্রতিবাদে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে। অভিযুক্তদের ফেরত না দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা যাবে না।’