আজহারকে মুক্তি না দিলে আমাকেও কারাগারে পাঠান: জামায়াত আমির
আজহারকে মুক্তি না দিলে আমাকেও কারাগারে পাঠান: জামায়াত আমির
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
শরীয়তপুর সংবাদদাতা:
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের ভাই এটিএম আজহারুলকে মুক্তি দিলে একজন মজলুম মুক্তি পাবে। তাকে মুক্তি দিন, না হলে আমাকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠান।
Manual4 Ad Code
সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পাশে এক পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।
Manual4 Ad Code
শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামীর অনেক নেতাকে প্রহসনের ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। ওই প্রহসনের শিকার আজহারুল ইসলাম এখনো কারাগারের প্রকোষ্ঠে বন্দি। এখনকার পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও তাকে মুক্তি দিচ্ছে না সরকার। আজহারুল ইসলামের মুক্তির সাথে সাথে বাংলাদেশ পুরোপুরি মুক্তি পাবে না, তবে একজন মজলুম মুক্তি পাবে। বাংলাদেশকে মুক্ত করতে হলে এদেশের যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।
জামায়াতের আমির বলেন, টানা সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর জুলুম চলেছে, আমরা আন্দোলন করেছি ফ্যাসিবাদী সরকারকে সরানোর জন্য। আমরা রাজনীতিবিদরা তাদের সরাতে পারিনি। কিন্তু সেই সমস্ত কষ্ট দুঃখ যাতনা, জুলুম একত্রিত হয়ে যে শক্তি তৈরি হয়েছিল, আমাদের ছাত্রদের নেতৃত্বে সেই শক্তিতে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। আমাদের সেই সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সমাজ গড়ার জন্য দায়িত্ব নিতে হলে তোমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। যে সমাজের যুবকেরা এগিয়ে আসে বিপ্লবের জন্য, সেই সমাজে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিপ্লব সফল হয়। আমি যুবকদের থেকে দুইটি জিনিস চাই, একটি হচ্ছে- গভীর দেশপ্রেম ও আরেকটি হচ্ছে- আল্লাহর প্রতি ভয়। এই দুইটি জিনিস নিয়ে যদি যুবকেরা এগিয়ে আসে, তারাই হবে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে হিমালয় পর্বত। এই পর্বত যারাই খসে দিতে আসবে, তার মাথা চুরমার হয়ে যাবে।
Manual3 Ad Code
তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। আওয়ামী লীগও শিক্ষা নেয়নি। তারা দেশের মানুষের ওপর জুলুম করেছে, নির্যাতন করেছে। দেশের সম্পদ লুট করেছে। সেই সম্পদ বিদেশে পাচার করে কানাডায় বেগমপাড়া গড়ে তুলেছে। তাদের দেশ থেকে কেউ তাড়ায়নি, তারাই দেশ থেকে পালিয়েছে। যারা পালাতে পারেনি তারা এখন জালে ধরা পড়ছে।
Manual7 Ad Code
শরীয়তপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির কে এম মকবুল হোসাইনের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এ.এইচ.এম হামিদুর রহমান আযাদ, জেলা আমির অধ্যক্ষ মুহা. আব্দুর রব হাশেমী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
পথসভায় বক্তব্য শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপজেলার মহেশকান্দি এলাকায় প্রয়াত বেলাল হুসাইনের বাড়িতে যান। মাওলানা বেলায়েত ঢাকার দারুস সালাম থানার সাবেক আমির। ২০১৪ সালে আন্দোলনের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান।