ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক: প্রধানমন্ত্রী
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক: প্রধানমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
রাষ্ট্র ও সমাজে শুধু আইনের শাসন থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া জেলা আদালতে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
Manual2 Ad Code
জামিন পাওয়ার পর দাপ্তরিক জটিলতার কারণে কারামুক্তিতে বিলম্ব হওয়াকে ন্যায়বিচার বলা যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আদালতের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে জামিননামা হাতে পৌঁছাতে কয়েকদিন সময় লাগার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কারামুক্তি হতে দেরি হয়। এটি আইনের শাসন হলেও ন্যায়বিচার কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ রয়েছে।”
Manual1 Ad Code
তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসন আমলে আমরা দেখেছি আইনের দোহাই দিয়েই রাতে আদালত বসিয়ে ভিন্ন মতের মানুষের ওপর অবিচার করা হয়েছিল। সেগুলো কখনোই ন্যায়বিচার ছিল না, বরং আইনি বিচারে আইনের অবিচার চালানো হয়েছিল। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক।”
Manual4 Ad Code
বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং জামিন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘ই-বেইলবন্ড’ বা ইলেকট্রনিক জামিননামা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বগুড়া ছাড়াও ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়ায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
Manual8 Ad Code
এই ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একজন বিচারক অনলাইনে জামিন আদেশ সরাসরি কারা প্রশাসনের কাছে পাঠাবেন। ফলে কারা প্রশাসন দ্রুততম সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে। এই ব্যবস্থা বিচার ব্যবস্থায় জনগণের অহেতুক হয়রানি ও দুর্নীতির পথ বন্ধ করবে।”
বিচার বিভাগকে আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ই-বেইলবন্ড সিস্টেমকে পুলিশের সিডিএমএস (ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম), আদালতের কেস ম্যাজিস্ট্রেট সিস্টেম এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ড ভেরিফিকেশনের সাথে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে বিচার ব্যবস্থার পুরো প্রক্রিয়াকে কম্পিউটারাইজড করার ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।