স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা-৯ আসনে এনসিপির প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা মাত্র ২৯ ঘণ্টায় ৪৭ লাখ টাকা নির্বাচনী ব্যয় তহবিল সংগ্রহ করেছেন। নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তিনি এ তহবিল সংগ্রহ করেন।
Manual8 Ad Code
একই সঙ্গে তহবিল সংগ্রহের বিস্তারিত হিসাব তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (২৪ ডিডসেম্বর) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ‘আমাদের ফান্ডরেইজিং লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা আপনারা মাত্র ২৯ ঘণ্টায় পূরণ করে ফেলেছেন। আপনাদের এই অভূতপূর্ব সাড়া পুরানো রাজনৈতিক ধারার মূলে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আর কোনো অনুদান গ্রহণ করছি না।’
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘এখন শুরু হচ্ছে আসল লড়াই। অধিকাংশ প্রার্থী এই নির্বাচনে ১০ থেকে ৫০ কোটি টাকা খরচ করবেন। অনেকে বলেন টাকা দিয়ে ভোট কেনা যায়। কিন্তু তারা একটি বিষয় ভুলে গেছেন, আমাদের সাথে আছেন আপনারা, যারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিজের পকেটের পয়সাও খরচ করতে রাজি।’
Manual4 Ad Code
পরে আরেকটি ফেসবুক পোস্টে নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে কে কোন মাধ্যমে কত টাকা পাঠিয়েছেন তার ট্রানজেকশন আইডিসহ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন ডা. তাসনিম জারা।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আপনাদের দেয়া প্রতিটি টাকার হিসাব স্বচ্ছভাবে দিবো।
সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিকাশের মাধ্যমে প্রাপ্ত সব অনুদানের লাইন–বাই–লাইন হিসাব প্রকাশ করছি। এই ডকুমেন্টে তারিখ, সময়, ট্রানজ্যাকশন আইডি এবং টাকার অঙ্কসহ সব কিছু বিস্তারিত দেওয়া আছে।’
এর আগে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর কয়েকজন প্রার্থী নির্বাচনী ব্যয় জোগাড় করতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরে টাকা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।
Manual6 Ad Code
ঢাকা-৯ আসনে এনসিপির প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. তাজনূভা জাবীন এবং সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দলটির প্রার্থী দিলশানা পারুল নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অর্থ সহায়তা চেয়ে স্ট্যাটাস দেন। এতে কেউ কেউ জনগণের কাছ থেকে ভালো সাড়াও পেয়েছেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর আগে কোনো সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের এভাবে প্রকাশ্যে ক্রাউড ফান্ডিং করতে দেখা যায়নি। তবে এনসিপি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর একবার ক্রাউড ফান্ডিং করেছিল। এর আগে জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া জেল ও জরিমানার রায়ের পর তার দল সারা দেশের সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিল বলে জানা যায়।