বিয়ানীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচির আয়োজন করে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। এসব কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের ঢল নামে। বিজয় দিবসের দিনব্যাপী কার্যক্রম সমন্বয় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবীবা মজুমদার।
বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর শহীদটিলায় অবস্থিত স্মৃতিস্থম্ভে বীর শহীদদের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রশাসন, বিয়ানীবাজার থানা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাব, কমিউনিস্ট পার্টি, উপজেলা ও কলেজ ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক দলের নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
Manual2 Ad Code
এরপর বিয়ানীবাজার পিএইচজি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ স্কাউটস এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। পরে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারবর্গকে নিয়ে সংবর্ধণা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবীবা মজুমদার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) আব্দুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ মো: ওমর ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নৃপন্দ্রে নাথ দাস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মৌলদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার অনুজ চক্রবর্তী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আহমদ রেজা, সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার হোসেন, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, পৌর আমীর কাজী জমির হোসাইন প্রমুখ।
Manual6 Ad Code
সংবর্ধণা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবীবা মজুমদার বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত এই স্বাধীনতা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়; এটি লাখো শহীদের আত্মত্যাগ ও অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাঁদের ত্যাগ ও সাহসিকতা ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তর থেকে তাঁদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়েছে।