নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ
নানক-তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি আজ।
Manual1 Ad Code
রোববার (২৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
জানা যায়, এদিন প্রসিকিউশন প্রথমে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করবে। এরপর ডিসচার্জ চেয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানি করবেন।
Manual5 Ad Code
এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেটি দ্বিতীয়বারের মতো পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করা হয়।
Manual4 Ad Code
সেদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, আমরা এক সপ্তাহ সময়ের আবেদন করছি। নির্ধারিত তারিখে প্রথমে প্রসিকিউশন, পরে আসামিপক্ষ শুনানি উপস্থাপন করবে।
এ মামলায় জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ মোট আসামি ২৮ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া চারজন হলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন। তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
Manual2 Ad Code
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল শুনানির কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ জনের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। এসময় আহত হন আরও অনেকে।