সিলেটে নিখোঁজের একদির পর নদীতে মিললো শিক্ষার্থীর মরদেহ
সিলেটে নিখোঁজের একদির পর নদীতে মিললো শিক্ষার্থীর মরদেহ
editor
প্রকাশিত জুন ৬, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের বিশ্বনাথে ললিপপ ক্রয় করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর বাড়ির পার্শ্ববতি বাসিয়া নদী থেকে আবিদ আহমদ (৯) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।
Manual1 Ad Code
শনিবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের মজনপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার পুত্র আবিদের মরদেহ বাসিয়া নদীতে ভাসতে দেখে তা উদ্ধার করে থানা পুলিশকে অবহিত করেন স্থানীয়রা।
Manual8 Ad Code
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করা আবিদকে ‘ঈদুল আযহা’র ছুটি কাটাতে বাড়িতে নিয়ে এসে ছিলেন পিতা। আর শুক্রবার বিকেলে ললিপপ কেনার জন্য বাসিয়া নদীর অপর পাড়ের একটি দোকানে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আবিদ। দীর্ঘসময় পরও সে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজতে শুরু করেন, তবে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাননি।
Manual8 Ad Code
শনিবার (৬ জুন) সকালে তার মরদেহ বাসিয়া নদীতে ভাসতে দেখে সাথে সাথে তার মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যান।
এদিকে নদীর ওপাড়ের দোকান থেকে ললিপপ ক্রয় করে বাড়ি ফেরার পথে বাসিয়া নদীর উপর থাকা বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নদীর পানিতে পড়ে আবিদ নিখোঁজ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এবং নিখোঁজের পর পানিতে ডুবে সে মৃত্যুবরণ করেছে। আর শনিবার সকালে বাসিয়া নদীতে আবিদের মরদেহ ভেসে উঠলে তা দেখতে পান স্থানীয়রা।
Manual1 Ad Code
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলার দেওলকস ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় (৩নং ওয়ার্ড) মেম্বার সুহেল খান বলেন, শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আবিদ নিখোঁজ হওয়ার পর আজ (শনিবার) সকালের দিকে তার মরদেহ বাসিয়া নদীতে ভেসে উঠে। স্থানীয়রা সাথে সাথে তার মরদেহ উদ্ধার করে বিষয়টি থানা পুলিশ ও আমাকে অবহিত করেন। ধারণা করা হচ্ছে বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় অসাবধানতাবশত নদীর পানিতে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবেই সে মৃত্যুবরণ করেছে।
এব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার (এসআই) বাবুল সিংহ বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সাথে সাথেই থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ঘটনাস্থল পরিদর্শন, শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সাথে আলাপ-আলোচনা করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আবিদ নদীর পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।