গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
editor
প্রকাশিত জুন ১৫, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কয়েস লোদী
দেশের সুষম ও পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সাথে নবনিযুক্ত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দেশের নবগঠিত ও বর্তমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানরা অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এস. এম. শফিকুল আলম, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: আবুল কালাম আজাদ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: শামসুজ্জামান সামু, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উতবাতুল বারী আবু এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকুল ইসলাম রাজিব।
Manual2 Ad Code
মন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের বলেন, “উন্নয়ন কর্তৃপক্ষগুলোকে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে, যাতে প্রতিটি অঞ্চলে সুষম ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।”
সভায় দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণ, আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশসম্মত নগর ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দক্ষতা ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করে মাননীয় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
Manual4 Ad Code
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নবগঠিত ও পুনর্গঠিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের কার্যকর উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিকল্পিত নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পরিশেষে, “পরিকল্পিত নগর, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ” এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সভা সমাপ্ত করা হয়।