নিউজ ডেস্ক :
হিমালয় পাহাড় ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে নেপালের পুলিশ। বন্যাদুর্গত এলাকাগুলো থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
এ বন্যায় নেপাল ও চীনের তিব্বতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক। বন্যায় দুই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর, সড়ক, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়েছে।
Manual7 Ad Code
গত বুধবার (২৫ আগস্ট) নেপালে প্রলয়ঙ্করী এ বন্যার সৃষ্টি হয়। ত্রিশূলী নদীতে পাহাড়ের কাদা, পাথর ও বরফ ধসে পড়লে পানির প্রবল স্রোত তৈরি হয়। এতে নেপাল ও তিব্বতের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়।
শুরুতে তিব্বতে আঘাত হানা ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হলেও এখনো এর সঙ্গে বন্যার যোগসূত্র এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি নেপাল বা চীন।ই-পেপার সাবস্ক্রাইব করুন
Manual6 Ad Code
কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিমবাহের পাথর ও বরফধস, হিমবাহ হ্রদের পানি হঠাৎ বেরিয়ে আসা কিংবা ভারী বৃষ্টিপাতের মতো বিভিন্ন সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। তবে যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত থাকায় সীমান্তের দুর্গম এলাকা থেকে নির্ভরযোগ্য তথ্য মিলছে না। ফলে ভয়াবহ এই দুর্যোগের মূল কারণ কী, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন দিশাহারা নেপাল।
Manual8 Ad Code
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বুধবার পার্লামেন্টে জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে এবং মাত্র তিন মিনিট পর, সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আকস্মিক বন্যার খবর পাওয়া যায়। তবে এই দুই ঘটনার সময়ের সম্পর্ক এখনো যাচাই করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।