সিলেটে চারলেন হবে এয়ারপোর্ট রোড, চা-বাগানের ভেতর দিয়ে হবে নতুন সড়ক
সিলেটে চারলেন হবে এয়ারপোর্ট রোড, চা-বাগানের ভেতর দিয়ে হবে নতুন সড়ক
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট নগরের যানজট কমাতে সাহেবের বাজার থেকে খাদিমপাড়া হয়ে কালাগুল বাজার পর্যন্ত বিকল্প সড়ক উন্নয়ন, বিমানবন্দর-আম্বরখানা চার লেন সড়ক নির্মাণ এবং লাক্কাতুরা থেকে টেলিভিশন গেট পর্যন্ত নতুন সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সিলেটে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয়ে মাহা-ইমজা অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান।
Manual1 Ad Code
মন্ত্রী বলেন, খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেবের বাজার থেকে একটি ভাঙাচোরা সড়ক ২৪ ফুট প্রশস্ত করে কংক্রিটের সড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ট্রাকগুলোকে নগরের আম্বরখানা এলাকা দিয়ে চলাচল করতে হবে না। বিকল্প পথে খাদিমপাড়া হয়ে কালাগুল বাজারের সড়ক ব্যবহার করে যানবাহন বাইপাসে পৌঁছাতে পারবে। এতে নগরের যানজট কমাতে সহায়তা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Manual8 Ad Code
এ ছাড়া সিলেট বিমানবন্দর থেকে আম্বরখানা পর্যন্ত চার লেনের সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। লাক্কাতুরা থেকে টেলিভিশন গেট পর্যন্ত চা-বাগানের ভেতর দিয়ে আরেকটি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, নতুন সড়কটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় একটি পথ তৈরি হবে। পাশাপাশি সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সার্কিট হাউসের পাশে পুরোনো জালালাবাদ শিশু পার্ক পুনরুজ্জীবিত করার কাজ চলছে।
Manual2 Ad Code
বাদাঘাট বাইপাসের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজও অগ্রসর হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের যানজট কমানো এবং মানুষের যাতায়াত সহজ করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু সড়ক ও সেতু নির্মাণের মধ্যেই উন্নয়ন সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে স্বস্তি, সন্তুষ্টি ও ভোগক্ষমতা বাড়ানোই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এসব সড়কের বড় একটি অংশ এখনো পাকা করা সম্ভব হয়নি। সড়ক উন্নয়নে নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হবে। সরকারের বর্তমান মেয়াদ শেষে সিলেটের প্রতিটি সড়ক পাকা করার অগ্রগতি নিয়ে জনগণের সামনে জবাবদিহি করতে চান জানিয়ে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, নগরের সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নে তাঁদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট।