ঢাকায় নেমেই সর্বস্ব হারালেন সৌদি ফেরত সিলেটের সাত্তার আলী
ঢাকায় নেমেই সর্বস্ব হারালেন সৌদি ফেরত সিলেটের সাত্তার আলী
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৫, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সিলেটের সাত্তার আলী। দীর্ঘ ২৮ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। সর্বশেষ পাঁচ বছর পর সৌদি আরব থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর সকালে তিনি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
Manual4 Ad Code
বিমানবন্দরে গাড়িতে উঠার আগে ওৎ পেতে থাকা চারজন এসে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে বেধড়ক মারধরের পর তার কাছে থাকা বাংলাদেশি দশ লাখ টাকা সমমূল্যের ৩০ হাজার রিয়াল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তিনি চিৎকার করলেও এসময় কেউ এগিয়ে আসেনি।
Manual4 Ad Code
পরে সাত্তার আলী বিমানবন্দর থানায় যান। সেখানে তিনি জিডি করেন। জিডিতে তিনি পুরো ঘটনা উল্লেখ করেন। কিন্তু ঘটনার দু-দিন পার হলেও ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধার কিংবা অভিযুক্তদের আটক করা হয়নি।
তবে পুলিশ বলছে- এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। সৌদিতে সাত্তার আলীর সঙ্গে থাকা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার একজনের টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ওই ব্যক্তির লোকজন ঢাকায় বিমানবন্দরের বাইরে সাত্তার আলীর কাছ থেকে সব কেড়ে নিয়েছে।
Manual4 Ad Code
ভুক্তভোগী সাত্তার আলী বলেন, ‘কষ্টের টাকা নিয়ে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আমি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছি। ঘরে আমার তিনটা সন্তান। আমার কষ্টের রোজগারের টাকা এভাবে দেশে ফিরতেই ছিনতাই হয়ে যাবে ভাবিনি। পাসপোর্ট পর্যন্ত ওরা নিয়ে গেছে।’
প্রবাসে দুঃখ-কষ্টের রোজগারের টাকা উদ্ধারের আকুল আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বর্তমান সরকারের প্রতি আবেদন জানাই- আমার প্রবাস জীবনের কষ্টটা বুঝুন। আমার জন্য পরিবার অপেক্ষা করছে। খালি হাতে কীভাবে ঘরে ফিরব, আমার কষ্টের টাকা উদ্ধার করে দেন।’
Manual4 Ad Code
এ বিষয়ে ঢাকা বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা আক্তার মুঠোফোনে শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) রাতে বলেন- ‘আমাদের কাছে অভিযোগ দায়েরের পর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সৌদিতে সাত্তার আলীর সঙ্গে থাকা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার একজনের টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ওই ব্যক্তির লোকজন ঢাকায় বিমানবন্দরের বাইরে সাত্তার আলীর কাছ থেকে সব কেড়ে নিয়েছে। বিবাদীর স্বজনের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। তারা থানায় আসার কথা। থানায় আসলে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে। আর না হলে তদন্তসাপেক্ষে আমরা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’