প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

পালিয়েছিলেন কুদ্দুস, পাকড়াও করল র‌্যাব

editor
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
পালিয়েছিলেন কুদ্দুস, পাকড়াও করল র‌্যাব

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পারিবারিক বিরোধের জেরে জাহানারা বেগম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)।

Manual8 Ad Code

শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর সদর থানার নয়নপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

Manual3 Ad Code

গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি মো. আব্দুল কুদ্দুস (৫৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার হরিপুর মধ্যপাড়া এলাকার মৃত আবু শামার ছেলে।

র‌্যাব জানায়, নিহত জাহানারা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানার হরিপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বাড়ি পাশাপাশি এবং তারা পরস্পরের আত্মীয়। অভিযুক্ত রুমানা বেগম নিহতের চাচাতো বোন। এছাড়া নিহতের ছোট বোন ও রুমানা বেগম বিজয়নগর থানার মিরপুর গ্রামের একই পরিবারের দুই পুত্রবধূ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর আগে রুমানা বেগম বাবার বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে নিহতের ছোট বোনও বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত ১০ মে ২০২৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ির সামনে রাস্তায় নিহতের ছোট বোনকে দেখে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে জাহানারা বেগম ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত রুমানা বেগম তাকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করেন। ইটটি জাহানারা বেগমের বুকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual4 Ad Code

এ ঘটনায় নিহতের স্বামী বাদী হয়ে নাসিরনগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৯, তারিখ ১০/০৫/২০২৬, ধারা ৩২৩/৩০২/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। পরবর্তীতে আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল শনিবার (১৬ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে সদর থানার নয়নপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

Manual4 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code