প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

তারেক রহমানের নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা

editor
প্রকাশিত আগস্ট ১১, ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানের নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষা

Manual3 Ad Code

 

প্রজন্ম ডেস্ক:

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্য না হলেও তাকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেছে। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকসে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। দাওয়াত দেওয়া হয়েছে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে। এজন্য সম্মেলনে যোগ দেওয়ার বিষয়ে ঢাকা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। তবে এর আগেই যেহেতু ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সফরের জন্য একটা আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখা হয়েছে, সেজন্য দুটো আমন্ত্রণকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে এই সুযোগটা ঢাকার কাজে লাগানো উচিত বলে মনে করেন সাবেক কূটনৈতিক ও বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দৃষ্টিতে সম্মেলনের আমন্ত্রণ একটি স্বাভাবিক কূটনৈতিক ঘটনা। তবে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতায় এ আমন্ত্রণের তাৎপর্য শুধু একটি বহুপাক্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের সুযোগে সীমাবদ্ধ নয়। বাণিজ্য, সীমান্ত, পানি, জ্বালানি, যোগাযোগ ও নিরাপত্তার মতো দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কে এখন রাজনৈতিক আস্থার ঘাটতিও রয়েছে। তার ওপর ভারতে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান সম্পর্কটিকে আরও সংবেদনশীল করে রেখেছে। ফলে তারেক রহমান নয়াদিল্লি সফরে গেলে তা শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে বিবেচিত হবে না; এর সঙ্গে যুক্ত হবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথের প্রশ্নও। আর এই সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকার সামনে যে সুযোগটি এসেছে, সেটিকে ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও কূটনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগানো উচিত।

 

গতকাল প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে করা সংবাদ সম্মেলনে ও দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যের সময় ভারত সফরের বিষয়টি নিয়ে জানার আগ্রহ দেখান সাংবাদিকরা। যদিও বিষয়টি নিয়ে কৌশলী উত্তর এসেছে দুই পক্ষ থেকেই। এজন্য শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে ঢাকা কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা নিয়ে সব মহলেই আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই এটাকে প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখছেন।

 

আমন্ত্রণের তাৎপর্য কোথায়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গত ১৪ জুলাই ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়ে এ আমন্ত্রণ জানানো হয়। ব্রিকসের সদস্য না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো নিঃসন্দেহে ঢাকার জন্য একটি কূটনৈতিক সুযোগ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ। তাদের মতে, সম্মেলনের আলোচনায় বৈশ্বিক দক্ষিণ, উন্নয়ন, বাণিজ্য ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে। সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক যোগাযোগের বিষয়গুলো তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। তবে আমন্ত্রণটির বহুপাক্ষিক চরিত্রকে আগে স্বীকার করা জরুরি। এটিকে কেবল বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখলে বিশ্লেষণ একপেশে হয়ে যেতে পারে। ভারত আয়োজক রাষ্ট্র হিসেবে বিভিন্ন দেশের নেতৃত্বকে যুক্ত করছেÑ এটিও গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। কিন্তু আমন্ত্রণের সময়কালই এর রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলেছে। ফলে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত হওয়ার প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। নয়াদিল্লির জন্য প্রশ্ন এখন শুধু বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে কি না, তা নয়; বরং নতুন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কটি কোন ভিত্তিতে দাঁড়াবে।

Manual5 Ad Code

ঘুরেফিরে আসবে শেখ হাসিনা প্রসঙ্গ

সম্ভাব্য এই সফরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তাকে ঘিরে যে গভীর বিতর্ক রয়েছে, তার প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কেও পড়েছে। তাই বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে গেলে শেখ হাসিনাকে ঘিরে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তবে সাবেক কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের একটি দেশে অবস্থান এবং সেই দেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে অন্য একটি রাষ্ট্রের সম্পর্ককে সরাসরি এক করে দেখা ঠিক হবে না। ভারত তার নিজস্ব নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বিবেচনায় বিষয়টি দেখবে; বাংলাদেশ দেখবে নিজস্ব রাজনৈতিক ও বিচারিক অবস্থান থেকে। তবু বাস্তব রাজনীতিতে বিষয় দুটি পুরোপুরি আলাদা রাখা কঠিন। তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরের প্রতিটি বৈঠক, বক্তব্য ও দৃশ্য তাই রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে। এ কারণে সফরটি কেবল কূটনৈতিক প্রটোকলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

আমন্ত্রণপত্রের ভাষা নিয়ে সতর্কতা

Manual1 Ad Code

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কূটনীতিতে আমন্ত্রণপত্রের ভাষা গুরুত্বপূর্ণ। তবে পূর্ণাঙ্গ আমন্ত্রণপত্র প্রকাশ্যে না থাকলে কোনো শব্দের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি নিয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। বিশেষ করে তাকে কোন পরিচয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছেÑ এ নিয়ে অনুমাননির্ভর ব্যাখ্যা সংবাদ বিশ্লেষণের বদলে রাজনৈতিক জল্পনায় পরিণত হতে পারে। প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানকে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই আমন্ত্রণপত্রের ভাষা নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ খোঁজার চেয়ে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে কী ভূমিকা নির্ধারণ করেছে এবং ঢাকা সেটিকে কীভাবে গ্রহণ করছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে

ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ আর আলাদা দ্বিপক্ষীয় সফর এক বিষয় নয়। সম্মেলনে তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। কিন্তু ভারতের সঙ্গে আলাদা উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হলে সেটি সরাসরি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। এ ছাড়া সীমান্তে প্রাণহানি, পানি বণ্টন, বাণিজ্য ভারসাম্য, ভিসা, আঞ্চলিক যোগাযোগ, জ্বালানি, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও নদী ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় আলোচনায় আসতে পারে। শেখ হাসিনার অবস্থানও আলোচনার বাইরে থাকবে নাÑ এমনটা ধরে নেওয়া যায়। তবে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে, আবেগের বদলে সুনির্দিষ্ট স্বার্থ ও বাস্তব ফলাফলের ভিত্তিতে আলোচনায় যাওয়া।

ঢাকার সামনে সুযোগ

দিল্লির আমন্ত্রণকে শুধু ‘ভারত বাংলাদেশকে ডাকছে’Ñ এই আবেগে দেখলে সুযোগটি ছোট হয়ে যায়। এটিকে বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক দর কষাকষির একটি সুযোগ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়লেও বাণিজ্য ভারসাম্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, পানি, পণ্য পরিবহন ও ভিসার মতো বিষয়ে ঢাকার উদ্বেগ রয়েছে। উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এসব বিষয়ে সরাসরি রাজনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে। এজন্য সফরের আগে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরিÑ কোন বিষয়ে কী প্রত্যাশা, কোথায় সমঝোতার সুযোগ এবং কোন জায়গায় জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়। কূটনীতি শুধু বন্ধুত্বপূর্ণ ছবি বা সৌজন্য বৈঠকের বিষয় নয়। নিজের স্বার্থকে অন্য পক্ষের স্বার্থের সঙ্গে এমনভাবে সমন্বয় করাই কার্যকর কূটনীতি, যাতে উভয় পক্ষ গ্রহণযোগ্য ফল পায়।

সফরটি দিল্লির জন্যও পরীক্ষা

সম্ভাব্য এই সফর ভারতের জন্যও একটি পরীক্ষা। নয়াদিল্লি যদি বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়তে চায়, তাহলে সেই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা। মুক্তিযুদ্ধ, বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও যোগাযোগসহ বহু ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের একটি অংশের মধ্যে ভারতের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্নও আছে। ভারতের চ্যালেঞ্জ হবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পছন্দকে সম্মান করে দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বজায় রাখা। আর বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হবে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ধরে রেখেও নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা।

Manual6 Ad Code

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত ঢাকার

দিল্লির আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হবে কি না, সেটি বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত। তবে সিদ্ধান্তটি আবেগ দিয়ে নয়, জাতীয় স্বার্থের হিসাব করে নেওয়াই যুক্তিসঙ্গত। ব্রিকসের মতো আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য নিজস্ব আন্তর্জাতিক স্বার্থ তুলে ধরার সুযোগ। আর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হলে তার জন্য প্রয়োজন আলাদা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রস্তুতি।

শেখ হাসিনার অবস্থান, দুই দেশের বর্তমান টানাপড়েন, জনগণের পারস্পরিক মনোভাব এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনাÑ সবই বিবেচনায় রাখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সফরটি যেন কোনো পক্ষের কাছে আত্মসমর্পণের প্রতীক না হয় এবং অন্য পক্ষের কাছেও অকারণ অবিশ্বাসের বার্তা না দেয়। বাংলাদেশের জন্য কার্যকর পথ হতে পারেÑ দরজা বন্ধ না করা, আবার নিজের দরজার চাবিও অন্যের হাতে না দেওয়া। দিল্লির আমন্ত্রণ তাই শুধু একটি সফরের প্রশ্ন নয়; নতুন বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কোন ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে, তারও একটি প্রাথমিক পরীক্ষা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার সাক্ষাতের সময় দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি নাÑ এমন এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, আমরা এখনও এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।

বরফ ভাঙতে হবে

জানতে চাইলে সাবেক কূটনৈতিক মুন্সি ফয়েজ আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি ভারতে যান, আমি মনে করিÑ সেটা উনাকে ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার সুযোগ করে দেবে। সুতরাং সেই সুযোগটা নেওয়া উচিত। আমার এটাই মনে হয়। এখন অন্যরা সেটা মনে করে কি না, তা আমি বলতে পারব না।

বিতর্ক আছে যে, তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়েছে, এজন্য সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে মুন্সি ফয়েজ বলেন, এখন বিমসটেক চেয়ারকে চেয়ারম্যান হিসেবে দাওয়াত করেছে, আগে তো তাকে একটা আলাদা দাওয়াত দেওয়াই আছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। সুযোগ তো আর সব সময় আসবে না। তার পরও যদি মনে করে যেÑ না, আমরা অপেক্ষা করব। আমি মনে করি সেটা সঠিক হবে না। কারণ এই সফরের মধ্য দিয়ে সম্পর্কের টানাপড়েন বা আগামীতে যে আমাদের গঙ্গা চুক্তিসহ বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক বিষয় ঝুলে আছে, সেগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা করার একটা সুযোগ হবে। বরফ ভাঙতে হবে। অনেক কিছুই আছে যেগুলো ভারতের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তো করতে হবে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code