অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হতে পারে সিলেটের যে দুই সড়ক
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হতে পারে সিলেটের যে দুই সড়ক
editor
প্রকাশিত জুন ২, ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেটের একটি মহাসড়ক ও একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক ও মালিক নেতারা। পৃথক দুটি দাবিতে সড়ক ও মহাসড়ক বন্ধের হুশিয়ারি দেন তারা।
Manual8 Ad Code
জানা যায়, সিলেট-হবিগঞ্জ মহাসড়কে বাস চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে হবিগঞ্জ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা। তারা জানান, চলমান সংকটের দ্রুত সমাধান না হলে আগামী ৩ জুন থেকে জেলার সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রাখা হবে। রবিবার (৩১ মে) দুপুরে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় হবিগঞ্জ জেলা বাস/মিনিবাস, ট্রাক, সিএনজি ও ম্যাক্সি মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ।
সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, সিলেট-হবিগঞ্জ রুটের সমস্যার সমাধানে ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্ত হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে এ সংকট চলতে থাকায় তারা কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, আগামী ২ জুনের মধ্যে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে আগের মতো মৌলভীবাজার হয়ে সিলেটে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ৩ জুন সকাল ৬টা থেকে হবিগঞ্জ জেলায় সব ধরনের পরিবহন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।
Manual8 Ad Code
এদিকে, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আবুল হোসেন হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্য পরিবহন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। সোমবার (১ জুন) সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা উপ-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা ও দোয়া মাহফিল থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু সরকার।
Manual4 Ad Code
সভায় বক্তারা বলেন, গত ২১ মে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার খাগাইল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন গৌরীনগর গ্রামের আবুল হোসেন। পরে ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। তারা বলেন, আগামী ৭ জুনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখা হবে। একই সঙ্গে উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রবেশ ও বহির্গমনও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।