সিলেট সীমান্তে বিজিবির সাথে প্রস্তুত আনসার, সজাগ সীমান্তবাসীও
সিলেট সীমান্তে বিজিবির সাথে প্রস্তুত আনসার, সজাগ সীমান্তবাসীও
editor
প্রকাশিত জুন ৯, ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধান সভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভের পর থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে উস্কানি চলছে।
বিশেষ করে ভারতীয় বাংলাভাষী মুসলিম নাগরিকদের তারা বাংলাদেশী আখ্যায়িত করে নানান অপকৌশলে তাদের পুশ-ইন করার চেষ্টা করছে। তবে তাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। বিএসএফ’র যেকোনো অপকৌশল প্রতিরোধে তারা সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে প্রস্তুত। সেই সাথে প্রস্তুত রেখেছে সীমান্তবাসীদেরও।
সোমবার (৮ জুন) দেশের ১১টি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির সাথে আনসার বাহিনীকেও সংযুক্ত করা হয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই, এতে সীমান্তরক্ষী বিজিবির শক্তি আরও বেড়েছে।
তবে ভারতীয়দের অপতৎপরতা নতুন নয়। তারা বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে কেন্দ্রে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরপরই তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি আরও শাক্তিশালী করে এবং আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের বাংলাভাষী মুসলিম জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশী হিসাবে চিহ্নিত করে তারা এদেশে ঠেলে পাঠানোর গভীর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করছে।
Manual2 Ad Code
এবার পশ্চিমবঙ্গেও তাদের সরকার। এ রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পরপরই তারা সেই পুরানো খেলায় মেতে উঠে। বিভিন্ন স্থান থেকে বাংলাভাষী মুসলিমদের জড়ো করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
Manual1 Ad Code
তবে বাংলাদেশ সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি সাহসের সাথে বুক চিতিয়ে তাদের সব অপচেষ্টা রুখে দিচ্ছে। এমনকি সিলেট সীমান্তসহ অন্যান্য সীমান্তে লোকজন জড়ো করে দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও বিজিবির তৎপরতায় তারা পুশইন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
Manual4 Ad Code
পুশ-ইন ঠেকাতে শুধু বিজিবিই নয়, এবার তারা নিজেদের সঙ্গে নিয়েছে বাংলাদেশ আনসারকে। পাশাপাশি সীমান্তবাসীদেরও তারা সচেতন করছে। বিশেষ করে রাতে পাহারা দিয়ে পুশইন ঠেকাতে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
রবিবারও ৪৮ বিজিবি সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তে স্থানীয়দের এ বিষয়ে সচেতন করতে মাইকিং করেছে। বিজিবিকে সহযোগীতা করার আহ্বানও জানিয়েছে।
এতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। তারাও এখন সমান তৎপর। অত্যন্ত সচেতন। দেশের কল্যাণে কাজ করতে এবং পুশইন ঠেকাতে তারা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।
গোয়ানঘাট সীমান্তের গ্রামবাসী খলিল উদ্দিন (৪০) ও জৈন্তাপুর সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা অরুন দাস (৩৫) জানান, ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে আমরা বিজিবির পাশে আছি, থাকবো ইনশাল্লাহ।