নিজস্ব প্রতিবেদক :
সুনামগঞ্জের কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯ ও র্যাব-১১)। শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১১ এর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. হৃদয় (২২)। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ব্রাহ্মণহাতা এলাকার আওয়াল মিয়ার ছেলে।
Manual7 Ad Code
ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র্যাব-৯ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলার অপর আসামি সৈয়দ আইনুল হক ভুক্তভোগীর আত্মীয় ও প্রতিবেশী। হৃদয় আইনুল হকের বাড়িতে থেকে সিএনজি চালাতেন। সেই সুবাদে তিনি প্রায়ই ভুক্তভোগীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্নভাবে তাকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ভুক্তভোগীর মা আইনুল হকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে আইনুল হক হৃদয়ের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু ভুক্তভোগী নাবালিকা হওয়ায় তার পরিবার ওই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। এরপর আসামিরা কিশোরীকে অপহরণের পরিকল্পনা করে। গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ দুপুরে আসামিরা ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে হৃদয়ের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
Manual4 Ad Code
পরবর্তীতে শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জ এবং র্যাব-১১, সিপিসি-২ কুমিল্লার একটি যৌথ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানাধীন জামকরা সিঙ্গাপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মামলার প্রধান ও পলাতক আসামি হৃদয়কে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।’