নিউজ ডেস্ক:
সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
Manual8 Ad Code
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ছড়িয়ে পড়া ওই অডিও রেকর্ডে এক গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে পাওয়া অর্থের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায় তাকে।
Manual4 Ad Code
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিওটি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে মাজারের দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও তা সংরক্ষণের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন সারওয়ার আলম।
একপর্যায়ে তিনি বলেন, মাজারের দানবাক্স থেকে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা এবং একটি অলঙ্কার পাওয়া গেছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে আরও ৫ লাখ টাকা যুক্ত করা হয়েছে।
অডিওতে ডিসি সারওয়ার আলমকে বলতে শোনা যায়, টাকাগুলো জেলা প্রশাসক ও ওয়াকফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম মাজার কমিটির একজন প্রতিনিধিকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট করতে। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি। পরে জেলা প্রশাসক ও ওয়াকফ ইন্সপেক্টরের নামে সোনালী ব্যাংকে যৌথ হিসাব খোলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতারা ও নীতি নির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।
Manual4 Ad Code
উল্লেখ্য, গত সোমবার (২২ জুন) হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের চারটি দানবাক্স এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা আরও চারটি দানবাক্সসহ মোট আটটি দানবাক্স ডাবল লক অবস্থায় খোলা হয়। গণনা শেষে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা, ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার এবং দুটি সৌদি রিয়াল পাওয়া যায়। পরে উদ্ধার হওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে সোনালী ব্যাংকের করপোরেট শাখায় জমা দেওয়া হয়। দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে মাজার ফান্ডে অতিরিক্ত ৫ লাখ টাকার একটি চেকও প্রদান করেন সাবেক জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম।