বিয়ের চার মাসের মাথায় প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ
বিয়ের চার মাসের মাথায় প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ
editor
প্রকাশিত আগস্ট ৩, ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বসতঘর থেকে হালিমা খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২ আগস্ট) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনেরা হত্যার অভিযোগ তুললেও পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
Manual5 Ad Code
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের হাড়গ্রাম এলাকার প্রবাসী সুনু মিয়ার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের আছাব মিয়ার মেয়ে হালিমা খাতুনের সঙ্গে মালয়েশিয়াপ্রবাসী সুনু মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর সুনু মিয়া মালয়েশিয়ায় ফিরে যান। এরপর থেকে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে হালিমার পারিবারিক কলহ চলছিল বলে জানা গেছে।
Manual2 Ad Code
শনিবার বিকেলে পরিবারের সদস্যরা হালিমার কক্ষের দরজায় সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাঁকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের চাচা সিরাজ মিয়া অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে হালিমাকে নির্যাতন করা হতো। তাঁর দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যা।
এদিকে ঘটনার পর নিহতের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে এসে হত্যার অভিযোগ তুললে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
Manual6 Ad Code
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নজমুদ্দিন বলেন, নিহতের স্বজনেরা হত্যার অভিযোগ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ মরদেহ নিয়ে যায়।
Manual8 Ad Code
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।