বড়লেখায় স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার- ৬
বড়লেখায় স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার- ৬
editor
প্রকাশিত অক্টোবর ২১, ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে চুরির ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
Manual2 Ad Code
অভিযানে উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ২ ভরি ১১ আনা ৯ রতি। এর মধ্যে রয়েছে দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার।
গত ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে বড়লেখা থানাধীন দক্ষিণভাগ এলাকার বাসিন্দা সিএনজিচালক জসিম উদ্দিন তাঁর বসতঘরে তালা দিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় গ্যাস নিতে বাইরে যান। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরের পেছনের জানালার সিটকিনি খুলে ভেতরে প্রবেশ করে ওয়ারড্রপে রাখা তাঁর ভাবির স্বর্ণের গলার হার ও কানের দুল এবং দুটি মুঠোফোন চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
Manual7 Ad Code
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে বড়লেখা থানার পুলিশের একটি দল ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ২০ অক্টোবর বড়লেখার দক্ষিণভাগ এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন জিল্লুর মিয়া (২৬), মনির হোসেন (৩৩) ও আব্দুল আহাদ (৪৪)। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পারভেজ আহমদ (২৭) মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি মুঠোফোন এবং চোরাই স্বর্ণ বিক্রির অর্থ হিসেবে শনাক্ত নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তাদের সহযোগী সুমন আহমদ (৩৮) নামে আরও একজনকে জুড়ী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
Manual3 Ad Code
গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্য অনুযায়ী পরবর্তীতে সিলেট থেকে সাইদুর রহমানকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া দুটি কানের দুল ও একটি স্বর্ণের গলার হার উদ্ধার করা হয়।
Manual1 Ad Code
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খান জানান, মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের আজ ২১ অক্টোবর বিধি মোতাবেক আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।