ট্রাইব্যুনালে সালমান-আনিসুল, আসামিপক্ষের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি আজ
ট্রাইব্যুনালে সালমান-আনিসুল, আসামিপক্ষের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি আজ
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা হত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করার পাশাপাশি অব্যাহতি চেয়ে আসামিপক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
Manual4 Ad Code
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন– বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন সকাল ১০টার পর কারাগার থেকে কড়া পাহারায় প্রিজনভ্যানে করে সালমান ও আনিসুল হককে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসে পুলিশ।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে প্রসিকিউশন পক্ষ শুনানি শেষ করেছে। শুনানির ওই পর্যায়ে সালমান ও আনিসুলের একটি বিতর্কিত ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে বাজিয়ে শোনানো হয়েছিল।
প্রসিকিউশন পক্ষের দাবি ছিল, কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের ‘শেষ করে দেওয়ার’ এই প্ররোচনা হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর প্রার্থনা করে প্রসিকিউশন।
Manual2 Ad Code
গত ৪ জানুয়ারি আসামিপক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।
তিনি ট্রাইব্যুনালে শোনানো ফোনালাপটি সালমান ও আনিসুলের নয় বলে দাবি করেন এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে ভয়েস রেকর্ডটি পরীক্ষা করার আবেদন জানান। যদিও ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদনটি খারিজ করে তা নথিভুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ছাড়া মুনসুরুল হক তার মক্কেলদের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য ১০ ডিসেম্বর একটি আবেদন দাখিল করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গত ২২ ডিসেম্বর সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাঠ করেন। এর আগে ৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে আদালত তা আমলে নেন।
Manual8 Ad Code
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় করা ওই ফোনালাপের পর ঢাকা ও সারা দেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এই অপরাধের দায়ভার ও উসকানির বিষয়েই আজ আসামিপক্ষ তাদের আইনি ব্যাখ্যা ও অব্যাহতির আবেদন পেশ করবেন।