মনপুরায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ
মনপুরায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ণ
Manual7 Ad Code
ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলার মনপুরা উপজেলায় প্রেমিককে বেঁধে রেখে তার প্রেমিকাকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
Manual6 Ad Code
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের উত্তর তালতলা নতুন বেড়ীবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ।
খবর পেয়ে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী তরুণী ও তার প্রেমিককে উদ্ধার করে মনপুরা থানায় নিয়ে আসে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করেছেন। ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
Manual8 Ad Code
পুলিশ জানায়, মামলার প্রধান দুই আসামি স্থানীয় নেতা মাকছুদ ও আল-আমিন। তদন্তের স্বার্থে বাকি আসামিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। প্রধান দুই আসামির বাড়ি উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে।
Manual3 Ad Code
ভুক্তভোগীদের বরাতে জানা যায়, ওই তরুণ-তরুণীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দুজনই চট্টগ্রামে একটি কারখানায় কাজ করেন। পারিবারিকভাবে বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের জন্য প্রেমিকের সঙ্গে ওই তরুণী গত বৃহস্পতিবার লঞ্চযোগে মনপুরায় আসেন। ওই তরুণীকে নিজের দাদির বাড়িতে রাখেন তার প্রেমিক। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অজুহাত তুলে অভিযুক্তরা তাদের কাছে প্রথমে দুই লাখ টাকা, পরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে প্রেমিক যুগলকে লঞ্চঘাটে না নিয়ে তালতলী এলাকার নির্জন বেড়িবাঁধে নিয়ে তাকে প্রথমে বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাকে আটকে রেখে তার প্রেমিকাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে তাঁরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিন জানান, এই ধর্ষণের ঘটনা অভিযোগে ছয় জন সহ আরও অজ্ঞাতামা দুই তিন জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। আসামীদের ধরতে পুলিশি অভিযান পরিচালনা করছে। প্রেমিক যুগল থানা হেফাজতে রয়েছে।