চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে শবে বরাত: আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে শবে বরাত: আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
স্টাফ রিপের্টার:
পবিত্র রমজান মাসের আগমনী বার্তা বহনকারী শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণে আজ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে। শাবান মাসের চাঁদ দেখা ও পবিত্র শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় (বাদ মাগরিব) ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কেও বিষয়টি অবহিত করতে বলা হয়েছে।
Manual4 Ad Code
ইসলামি বিধান অনুযায়ী শাবান মাসের ১৫তম রাতে (১৪ শাবান দিবাগত রাত) পালিত হয় পবিত্র শবে বরাত। এ উপলক্ষে পরদিন বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকে। শাবান মাস শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস রমজান।
Manual7 Ad Code
আজ সোমবার শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পালিত হবে শবে বরাত। আর চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস শুরু হবে। তখন ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে।
ইসলাম ধর্মে বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন চারটি রাতের অন্যতম শবে বরাত। বিশ্বাস করা হয়, এ রাতে পরম করুণাময় আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য রহমত ও দয়ার ভাণ্ডার খুলে দেন। এই পবিত্র রজনী রমজান মাসের আগমনের সুসংবাদও বহন করে।
‘শবে বরাত’ শব্দটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘শব’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ রাত; আর ‘বরাত’ আরবি শব্দ, যার অর্থ নাজাত বা মুক্তি। অর্থাৎ শবে বরাত বলতে বোঝায়—জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার রাত।
নির্ভরযোগ্য হাদিসের মাধ্যমে এ রাতে ইবাদতের গুরুত্ব প্রমাণিত। নবীজি (সা.)-এর যুগ থেকে সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনের আমল হিসেবে এ রাতে নফল ইবাদত পালনের ধারা চলে আসছে।
Manual6 Ad Code
হাদিস শরিফে এই রাতকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই রাতের ফজিলত পুরোপুরি অস্বীকার করে, আবার অন্য একটি শ্রেণি ফজিলতের নামে বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘনে লিপ্ত হয়—যা ইসলামি শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।