বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসন: সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ বাড়ছে
বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসন: সংসদ নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ বাড়ছে
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
মিলাদ জয়নুল:
Manual7 Ad Code
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এরই মধ্যে নানা ধরনের প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা। বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচন অনেকটা একতরফাভাবে হওয়ার পর এবারের নির্বাচন ও এর ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা কৌতূহলও দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সংস্থা কিংবা রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ভোটের মাঠের অবস্থা বোঝার জন্য অনেক ধরনের জরিপও পরিচালিত হচ্ছে।
এদিকে আসন্ন নির্বাচনে সিলেট-৬ বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ নির্বাচনী আসনে একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ভোটারদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আবদুন নুর, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজ ফখরুল ইসলাম নির্বাচন করছেন।
Manual7 Ad Code
Manual3 Ad Code
ভৌগোলিকভাবে সীমান্তঘেঁষা উপজেলা বিয়ানীবাজার এবং সিলেট নগরীর অদূরে অবস্থিত এই আসনটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিগত দিনে কাংখিত উন্নয়ন না হওয়ায় নদীভাঙন, বন্যা এবং কর্মসংস্থান ইস্যু এখানে বড় আলোচনার বিষয়। নির্বাচনী প্রচারণায় এসব ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও প্রতিনিধিত্বমূলক রাজনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে চান। কেউ কেউ বলছেন, দল নয়—যোগ্য প্রার্থীই তাঁদের কাছে মুখ্য। আবার অনেক ভোটার দলের আদর্শ ও জাতীয় রাজনীতির প্রভাব বিবেচনায় ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এই আসনে এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের লড়াই নয়, বরং এটি স্থানীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন শুরু হবে জোরালো প্রচারণা, আর তাতেই নির্ধারিত হবে ভোটের চূড়ান্ত সমীকরণ।
স্থানাীয় বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই তরুণ ভোটারদেরই একটা বড় অংশ দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে। তাদেরকে সুইং ভোটার ভাবা হচ্ছে আগামী জাতীয় নির্বাচনে। নির্বাচনে জয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখে সুইং ভোটাররা।
বিয়ানীবাজার আদর্শ মহিলা কলেজের প্রভাষক সঞ্জয় আচার্য বলেন, “সুইং ভোটারদের কোনো একটা নির্দিষ্ট দলের শক্তিশালী সমর্থন থাকে না। তবে সুইং ভোটাররাই আবার ভোটের ফলাফলকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করে থাকে”।
১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগও নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। যে কারণে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরও আগামী নির্বাচনে ‘সুইং ভোটার’ ভাবছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
Manual5 Ad Code
বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি সজীব ভট্রাচার্য বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। আওয়ামীলীগ সমর্থক অনেক সাধারণ ভোটাররাও ভোট দিতে যাবে। এই আসনের গ্রামীণ জনপদে ভোটারদের মধ্যে বেশ আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে।