স্টাফ রিপোর্টার:
নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।
তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
Manual8 Ad Code
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
ব্যালট বাক্স ছিনতাই প্রসঙ্গে জুয়েল রানা বলেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার সবার হাতে দামি দামি অস্ত্র থাকবে। সবার হাতে একে-৪৭ থাকবে, এগুলো দেখলে ভোটের ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহসই পাবে না।
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে নির্বাচন উপলক্ষে র্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে মোহাম্মদপুরে র্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যেখানে দুষ্কৃতিকারী কিংবা বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক কাজ করছে।
Manual8 Ad Code
তিনি আরও বলেন, এর আগে আমরা দিনদুপুরে রেট দিয়েছি এবং ইতোমধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে। সাংবাদিকরাও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে দুষ্কৃতিকারীদের সাইজ করে ফেলা হয়েছে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির পক্ষ থেকে ওয়াদা করেছিলাম ঢাকা-১৩ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবার সহযোগিতায় এখনও পর্যন্ত শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ বজায় রয়েছে। প্রচারণা যেহেতু শেষ এখন পুরো কেন্দ্র, পুরো আসন আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর দখলে। একইসঙ্গে সাধারণ ভোটারদের নিশ্চয়তা দিতে চাই—নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং নিজের ভোট দিন।
তিনি বলেন, যারা দুষ্কৃতিকারী আছে তাদের মনে ভয় ও আতঙ্ক ঢুকিয়ে দিতে চাই। যেন ভোটের আগেই তারা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে শুধু ভোটার ও প্রশাসনের দিন।
Manual6 Ad Code
ঢাকা-১৩ আসনের ‘ঝুঁকি’ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কোনো ঝুঁকিপূর্ণ আসন নেই। গত ১০-১৫ দিনে এখানে আমরা একটা পাতাও পড়তে দেইনি। মারামারি, কাটাকাটি কিংবা ফাটাফাটি অনেক দূরের বিষয়।