স্টাফ রিপোর্টার:
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নিয়েছেন। এখন আলোচনার শীর্ষে এ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন?
Manual6 Ad Code
রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়য়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। এছাড়া কেউ কেউ দলটির প্রবীণ আরেক নেতা নজরুল ইসলাম খানের নামও বলছেন।
হাসিনার আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। গণঅভ্যুত্থানের মুখে হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। তবে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি।
Manual4 Ad Code
নতুন সরকার গঠনের পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে পারেন। গত ডিসেম্বরে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি নিজেই এমনটি জানিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তার পদে দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো ব্যক্তি দুইবারের বেশি রাষ্ট্রপতির পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না। শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণ কিংবা গুরুতর কোনো অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।
Manual6 Ad Code
মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিশংসনজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এ নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ-সদস্যের ভোটেই নির্বাচিত হন রাষ্ট্রপতি। এক্ষেত্রে কারো বয়স ৩৫ বছরের কম এবং সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হলে তিনি রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না। বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, এখন দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদ-সদস্যদের ভোটে।
নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের সিইসি ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপতি পদে একক প্রার্থী হলে বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ে না।
তফশিল ঘোষণার পর সংসদ অধিবেশন চলাকালীন এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রয়োজনীয় সময়ে যদি অধিবেশন না থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশন স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ভোটগ্রহণের কমপক্ষে সাতদিন আগে অধিবেশন আহ্বান করবে।