ঢাবিতে নারীকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি
ঢাবিতে নারীকে হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি
editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে গভীর রাতে এক নারীকে লাঠি হাতে তেড়ে আসার একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায়ি ভাইরাল হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে। আর অভিযুক্ত দুই ছাত্রের একজন গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হত্যা মামলার আসামি বলে শনাক্ত করা গেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী আহমেদ রাকিব লাঠি হাতে ঐ নারী শিক্ষার্থীর দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। সেই ভিডিওতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পারফরম্যান্স বিভাগের শাহরিয়ার তুষারকেও দেখা যায়।
ভিডিওতে সেই নারী কান্নায় ভেঙে পড়ে বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। পুরান ঢাকা থেকে সেহরি খেয়ে টিএসসিতে ঘুরতে এসেছিলেন বলে দাবি করেন তারা। এক পর্যায়ে তাদেরকে হেনস্তা করা হয়েছে বলে ভিডিওতে অভিযোগ করতে দেো যায় তাদের। ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, ওই ছাত্র তাদের ‘প্রস্টিটিউট’ বলে সম্বোধন করেছেন।
ভিডিওতে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক নারীকে বলতে শোনা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়ে আমার গায়ে কেন হাত তুলবে?
ওই নারীকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘রাতে কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে যাতায়াত করা নিষেধ? আমাদের কোনো প্রশ্নই করে নাই। আমরা নাকি প্রস্টিটিউট।’
Manual8 Ad Code
তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমরা মেয়েরা সেফ না। ৫ আগস্টের পরে আমরা সেফ না। আমরা আন-সেফ। ভার্সিটির ছেলেরা আমাদের ধরে মারে। আমাদের ড্রেসে কি লেখা আছে আমরা প্রস্টিটিউট?’
অপর আরেকজন নারীকে কেঁদে কেঁদে বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলে হয়ে আমার গালে কেন থাপ্পড় মারবে? আমি কি বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসছি? আমি এখানে আসতে পারি না?’
Manual3 Ad Code
এদিকে জানা যায় এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আহমেদ রাকিব ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর সাব্বির হত্যা মামলার আসামি।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানা পুলিশের এস আই স্বপন মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন তারা বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না।
Manual5 Ad Code
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, আমরা ভিডিওটি দেখেছি। আমরা ঘটনার সত্যতার জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেব।