ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইতিমধ্যেই ‘বিজয়’ অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইতিমধ্যেই ‘বিজয়’ অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
editor
প্রকাশিত মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
Manual4 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই ‘বিজয়’ অর্জন করেছে বলে পুনরায় দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, চলমান শান্তি আলোচনা যদি কোনো কারণে ব্যর্থ হয়, তবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতে কঠোর হামলা চালানো হবে।
Manual4 Ad Code
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প গণমাধ্যমের কড়া সমালোচনা করে বলেন, আমি এটি বলতে পছন্দ করি না—তবে আমরা এই যুদ্ধে জিতে গেছি। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে, কেবল ‘ফেক নিউজ’ মিডিয়াই একে জিইয়ে রাখতে চায়।
Manual2 Ad Code
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন, গত কয়েক সপ্তাহের অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি যুদ্ধে জিতছি যেখানে তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই, কোনো বিমানবাহিনী নেই, তাদের কিছুই নেই। আমাদের বিমানগুলো এখন তেহরানসহ পুরো ইরানের আকাশে অনায়াসেই উড়ছে। তারা আমাদের রুখতে কিছুই করতে পারছে না। উদাহরণস্বরূপ, আমি যদি তাদের ওই বিশাল এবং শক্তিশালী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ধ্বংস করতে চাই, তাদের সেটি ঠেকানোর কোনো ক্ষমতা নেই।
Manual2 Ad Code
যুদ্ধ শেষের বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য বারবার পরিবর্তিত হচ্ছে। গত ৯ মার্চ তিনি যুদ্ধকে ‘প্রায় সম্পন্ন’ বলে অভিহিত করলেও কয়েক ঘণ্টা পরেই আবার বলেছিলেন, আমরা অনেক দিক দিয়ে জিতেছি, কিন্তু তা যথেষ্ট নয়।
Manual6 Ad Code
গত সপ্তাহান্তেও ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, গত সোমবার বিকেলের মধ্যে ইরান যদি ‘হরমুজ প্রণালী’ খুলে না দেয়, তবে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়া হবে। তবে সোমবার সকালে তিনি তার সুর কিছুটা নরম করেন। তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ আলোচনা’ চলছে এবং এই আলোচনার স্বার্থে তিনি ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা আরও পাঁচ দিন পিছিয়ে দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মিশ্র বার্তা এমন এক সময়ে এলো যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা চালাচ্ছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান ইতিমধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আলোচনার টেবিলে ইরানকে নমনীয় করতেই ট্রাম্প বারবার বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করার হুমকি দিয়ে ‘মনস্তাত্ত্বিক চাপ’ বজায় রাখছেন।