নিজস্ব প্রতিবেদক:
পারিবারিক কারণে স্বামীর সাথে দেখা দেয় মনোমালিন্য। যার জন্য ওই গৃহবধূ চার বছর ধরে পিত্রালয়ে বসবাস করতেন। মোবাইল ফোনে ওই নারীকে মামার বাড়িতে পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে খড়ের ঘরে আটকে রেখে একাধিকবার গণধর্ষণ করা হয় ওই নারীকে।
Manual4 Ad Code
এ ঘটনায় ওই গৃহবধ বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
Manual4 Ad Code
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন মল্লিকপুর নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে অমল দাসকে (৪০) গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃত অমল সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানার ডুমবন্দ গ্রামের মৃত শৈলেন দাসের ছেলে।
Manual2 Ad Code
শনিবার সকালে এসব তথ্য জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, ভিকটিম সুনামগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিমের সাথে তার স্বামীর মনোমালিন্যতার কারনে ৪ বছর থেকে পিতার বাড়িতে বসবাস করে আসছে। গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্পে ডেকে নিয়ে ভিকটিমকে তার মামার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। পরে ভিকটিমকে সিএনজিতে উঠিয়ে মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে অমল দাসসহ তার সহযোগীরা সারারাত একাধিকবার জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে।
পরবর্তীতে তারা ভিকটিমকে একটি খড়ের ঘরে রেখে চলে যায়। পরেরদিন সকালে ভিকটিম অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।