নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট বিভাগে হাম ও নিউমোনিয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এ পর্যন্ত হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৬৯ শিশু এবং এক নার্সের মৃত্যুর হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ল্যাব পরীক্ষায় আরও ৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৯৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রতিবেদনে জানা গেছ, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ৩২২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ১৭৭ জন, সিলেটে ১০৫ জন, হবিগঞ্জে ২৪ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৬ জন রয়েছেন। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্যে ২ জন রুবেলা রোগীও শনাক্ত হয়েছেন।
Manual1 Ad Code
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম নিয়ে নতুন করে ৮০ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৭ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৯ জন, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ১ জন, কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৫ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৭ জন ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ২৯৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
Manual1 Ad Code
এর মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৪ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫০ জন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৮ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ জন এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১২ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল হাসপাতালে ৮ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ৪ জন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ২ জন, উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালে ১ জন এবং কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ রোগী ভর্তি রয়েছেন।
Manual4 Ad Code
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র আরও জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৬৯ জনে পৌঁছেছে।
Manual5 Ad Code
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম বলেন, হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৮০ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৯৭ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।