প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৯শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

কাঁদলেন নেইমার, মাঠে ছেলের সঙ্গে আবেগঘন মুহূর্ত

editor
প্রকাশিত জুন ২৫, ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ণ
কাঁদলেন নেইমার, মাঠে ছেলের সঙ্গে আবেগঘন মুহূর্ত

Manual4 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক :
ম্যাচের আগেই ব্রাজিলের বেঞ্চ ঘিরে ফটোগ্রাফাররা ভিড় জমালেন। সবার ক্যামেরার লেন্স নেইমারের দিকে তাক করা। ভিড় ভাট্টা ঠেলে নিজেকে গুছিয়ে নিলেন ব্রাজিলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা। তারপর এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৭৫তম মিনিটে অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বোর্ড তুললেন, তারপর গ্যালারি ফেটে পড়ল উচ্ছ্বাসে। ম্যাথিউস কুনহার বদলে নেইমার ৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে মাঠে নামলেন।

মাঠে নেমে ছাপ রাখতে পারেননি নেইমার। তার আগেই ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকা ব্রাজিলের জয় সুনিশ্চিত ছিল। ম্যাচ শেষ হতেই গ্যালারির দিকে ছুটলেন নেইমার। নিজের আবেগ লুকাতে পারেননি, কাঁদতে দেখা যায় তাকে। তারপর পরিবারের সঙ্গে মিলিত হলেন। গ্যালারিতে ছিলেন তার স্ত্রী ব্রুনা বিয়ানকার্দি, যার গর্ভে তার পঞ্চম সন্তান। চার সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে ১৪ বছরের ডেভি লুকাকে ডাক দিলেন তিনি। নিরাপত্তারক্ষীরা বুঝতে না পেরে তাকে কয়েকবার আটকান। শেষ পর্যন্ত নেইমারের সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানানোর পর ছাড় পায় লুকা। বাবা-ছেলে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

ম্যাচ শেষ হতেই ক্যামেরা খুঁজে নেয় নেইমারকে। তার আবেগঘন মুহূর্ত ধারণ করা হয়। নেইমার বললেন, ‘খেলার পর আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। তারপর আমি আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করলাম, সবাই কাঁদছিল, লাফালাফি করছিল, হাসছিল। এটা ছিল মিশ্র অনুভূতি।’

Manual8 Ad Code

নেইমার আরও বললেন, ‘সত্যিকারের কৃতজ্ঞতার মুহূর্ত। আমার লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে খেলা, জাতীয় দলে ফেরা, এই জার্সি পরা। আমি এখানে থাকতে ভালোবাসি, ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি পরতে ভালোবাসি।’

Manual8 Ad Code

ভক্ত-সমর্থকদের ভালোবাসা নিয়ে তিনি বললেন, ‘আমি ব্রাজিলিয়ানদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, তাদের ভালোবাসা এবং সবসময় যে সমর্থন দিয়েছে সেজন্য। এখানে আসা সহজ ছিল না, কিন্তু আমরা পেরেছি।’

Manual7 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code