না খেলেই পদক নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের উশু খেলোয়াড় জিন্নাত আক্তারের। আজ চীনের প্রতিপক্ষ ডি উইয়ের বিপক্ষে ছিল ফাইনালে যাওয়ার লড়াই। এতে ব্যর্থ হলেও উশু এবং গেমসের নিয়মানুযায়ী সেমিফাইনালে উঠায় ব্রোঞ্জ পদক পাচ্ছেন জিন্নাত। আগামীকাল তার গলায় এই পদক উঠবে।
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
লড়াইয়ের প্রত্যয় ছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষ ছিলেন চীনের ডি উই। জিন্নাত আক্তার পারেননি অভাবনীয় কিছু করতে। প্রথম রাউন্ডেই তিনি ছিটকে পড়লেন। তাতে পদকের রং বদলানো হলো না জিন্নাতের। এশিয়ান গেমসের উশুতে ব্রোঞ্জ পেলেন তিনি।
Manual5 Ad Code
নারীদের ৫২ কেজি ইভেন্টে চীনের প্রতিপক্ষের সঙ্গে সেভাবে লড়াই করতে পারেননি জিন্নাত। অভিজ্ঞতা, পারফরম্যান্স, টেম্পারমেন্ট সব কিছুতেই জিন্নাত পেছনে ছিলেন। হারলেও ব্রোঞ্জ পদক পাচ্ছেন এজন্য ছিল তার মধ্যে উচ্ছ্বাস।
তিনি বলেন, ‘চীনের অ্যাথলেটরা সারা বছর অনুশীলন করে, বিশ্বের মধ্যে এক নাম্বার। আমরা যদি তাদের মতো কোচ পাই, তাহলে আমরা সামনের এশিয়ান গেমসে সোনা বা রুপা নিয়ে যেতে (দেশে ফিরতে) পারব। সরকারের কাছে আমার আবেদন, ওদের মতো আমাদের অনুশীলনের জন্য একটা ভেন্যু, কমপ্লেক্স করে দিন।’
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ১৪টি পদক জিতলেও মাত্র একটি ছিল ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে। ১৯৮৬ সালে সিউলের আসরের বক্সিং ইভেন্ট থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মোশাররফ হোসেন। ৪০ বছর পর ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে জিন্নাতের হাত ধরে এলো দ্বিতীয় পদক।
Manual2 Ad Code
‘বাই’ পেয়ে প্রাথমিক রাউন্ড পার হয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছিলেন জিন্নাত। কোয়ার্টারে তার প্রতিযোগী ইন্দোনেশিয়ার থারিসা দিয়া ফ্লোরেন্তিনা ওজনে ‘ডিসকোয়ালিফাইড’ হন। এতে সেমির পাশাপাশি ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত হয় জিন্নাতের।
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও এই গেমসে কোচ হয়ে আসা দিলদার হাসান দিলু বলেন, ‘আগামীকাল ফাইনাল হবে। ফাইনালের পরেই সবাইকে পদক দেয়া হবে।’