প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে চাপা, ১৯ দিন পর লাশ উদ্ধার

editor
প্রকাশিত জুলাই ৬, ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে চাপা, ১৯ দিন পর লাশ উদ্ধার

Manual2 Ad Code

রাজনগর প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নে স্ত্রী খু*ন করে বাড়ির উঠোনের সামনের টিলায় ৮ ফুট মাটির গভীরে পুতে মাটিতে লাশ পুতে রাখেন স্বামী।

নিহত রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সুনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে জায়েদা বেগম।

এঘটনায় স্বামী একই ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগানের আলমগীর আলীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিহত জায়েদার বাবার জিডির সূত্রে পুলিশ আলমগীরকে আটক করে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে জায়েদাকে হত্যা করে লাশ বাড়ির উঠোনের সামনে পুতে রাখার কথা স্বীকার করে।

Manual7 Ad Code

পরে সোমবার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেটের উপস্থিতে পুলিশ লাশ উত্তোলন করে মর্গে পাঠিয়েছে। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের সুনাটিকি গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে জায়েদা বেগমের বিয়ে হয়েছিল একই ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগানের আলমগীর মিয়ার সাথে। তাদের ঘরে ৬ বছরের একটি ছেলে আছে। গত ১৮ জুন জায়েদা বেগমের স্বামীর বাড়ী (আলমগীর আলীর বাড়ি) থেকে নিখোঁজ হন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখোঁজি করে তার কোন সন্ধ্যান পাওয়া যায়নি। জায়েদা বেগম বিদেশে চলে গেছেন বলে জানান স্বামী আলমগীর মিয়া। বিষয়টি সন্দেহ হলে জায়েদা বেগমের পিতা আব্দুল হান্নান রাজনগর থানায় গত ৩ জুলাই জিডি করেন। বিষয়টি তদন্তের দায়িত্বপান রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অরূপ সরকার। বিষয়টি তদন্তে নেমে আলমগীরের আচরন সন্দেহজনক মনে হলে তাকে পুলিশ হেফাতে নেয়া হয়। পরে পুলিশের ব্যাপাক জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর জায়েদাকে হত্যা করে লাশ মাটির নিচে পুতে রেখেছে বলে স্বীকার করে। পরে রাজনগর থানার পুলিশ তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম এবং রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট বিপুল সিকদারের উপস্থিতিতে সোমবার আলমগীর আলীর নিজ বাড়ি উঠোনের সামনে ৮ ফুট মাটির নিচ থেকে জায়েদার মরদেহ উত্তোলন করে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জায়েদার স্বামী আলমগীর আলী (৪০), জালাল আহমদ, আমিনুল ইসলাম ও নুরুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

স্বামী পরিত্যাক্তা জায়েদা বেগমের (৩৮) সুনাটিতি গ্রামের বাড়িরে পাশেই থাকতো একই ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগানের ছেলে আলমগীল (৪০)। আলমীগরও ছিলেন বিবাহিত। পাশাপাশি থাকার সুবাদে উভয়ের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সামাজিক বাধা পেরিয়ে বিয়ের পিড়িতে বসেন জায়েদা আলমগীর। কিন্তু সেই আলমগীরই কাল হলো তার জীবনে।

Manual8 Ad Code

নিহতের পিতা আব্দুল হান্নান বলেন, “আমার মেয়ে সৌদিআরব চলে গেছে বলে জানায়। সে কোন প্রমান দেখাতে না পারলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে আলমগীরকে পুলিশে সুপর্দ করা হয়। পরে সে হত্যার কথা স্বীকার করে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

Manual1 Ad Code

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, “জায়েদা বেগম নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা ৩জুলাই রাজনগর থানায় জিডি করেন। জিডির প্রেক্ষিতে তার স্বামী আলমগীর আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জায়েদাকে হত্যা করেছে বলে শিকার করে। তার দেওয়া তথ্য মতে আজ তার উঠানের সামন থেকে ৮ফুট নিচে পুতে রাখা জায়েদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দাম্পত্য কলহের কারণে হত্যা হতে পারে। পুরো ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

Manual6 Ad Code

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code