প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

হাঁস খুঁজতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী, ভিডিও ধারণ

editor
প্রকাশিত জুলাই ১২, ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ণ
হাঁস খুঁজতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী, ভিডিও ধারণ

Manual8 Ad Code

শাল্লা প্রতিনিধি:
বাড়ির পেছনে হাঁস খোঁজতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১১ বছরের এক কিশোরী। গলায় কাঁচি ধরে জোরপূর্বক একজন ধর্ষণ করার সময় অন্যজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। ভয়ে কিশোরী পরিবারের কাউকে কিছু না জানালেও শারীরিক পরিবর্তন হলে সবকিছু তার মাকে জানায়।

Manual5 Ad Code

ঘটনাটি সুনামগঞ্জের ২নং হাবীবপুর ইউনিয়নের মার্কুলী গ্রামে ঘটে। এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সুনামগঞ্জের শাল্লা থানা ধর্ষণের অভিযোগ এনে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের শিকার কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলে ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়রত।

Manual1 Ad Code

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষণকারী সোফায়েল মিয়াকে (২০) গ্রেফতার করা হয়। রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। সে শাল্লা থানাধীন হবিবপুর ইউনিয়নের মার্কুলি গ্রামের মহিম উদ্দিনের ছেলে। এছাড়া মামলার অপর আসামী হচ্ছে ভিডিও ধারণকারী একই গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সায়েক মিয়া (২০)।

Manual5 Ad Code

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১০ জুন) বেলা আনুমানিক ১১ টায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়ির পিছনে হাঁস খোঁজতে যায়। এ সময় পিছন দিক থেকে সোফায়েল মিয়া কিশোরীর মুখ চেপে গলায় কাঁচি ধরে ভয় দেখিয়ে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই সময় সোফায়েলের সহযোগী সায়েক মিয়া ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারন করে। পরবর্তীতে কিশোরী এই ঘটনা প্রকাশ না করলেও তার শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে অভিভাবকদের মনে সন্দেহ জাগে। এক পর্যায়ে কিশোরীর মা জানতে চাইলে তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অকপটে স্বীকার করে।

এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই অভিযুক্ত ধর্ষণকারী আসামী সোফায়েল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা হয়েছে। অপর আসামী সায়েক মিয়াকে গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১  

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code