ব্যাগি গ্রিন ক্যাপটা নিয়ে স্লিপে বা কাভারে দাঁড়িয়েছেন। চোখের পলকে ক্যাচ লুফে নিচ্ছেন। স্টিভেন স্মিথের ব্যাট নিয়ে যতটা আলোচনা হয়, তার ফিল্ডিংয়ের গুণটা ততটাই যেন আড়ালে থেকে যায়। অথচ, ফিল্ডার হিসেবেও অস্ট্রেলিয়ান এই তারকা যে অনন্য সেটার প্রমাণ মিলল সদ্য সমাপ্ত শ্রীলঙ্কা সিরিজে।
Manual2 Ad Code
Manual1 Ad Code
টেস্ট ক্রিকেটের বয়স প্রায় ১৪৮ বছর হতে চলেছে। লম্বা এই সময়ে মাত্র ৪ জন ক্রিকেটারের দখলে ছিল ২০০ ক্যাচ নেয়ার রেকর্ড। গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে সেই এলিট ক্লাবে নাম তুলেছেন স্টিভ স্মিথও। রাহুল দ্রাবিড়, মাহেলা জয়াবর্ধনে, জো রুট এবং জ্যাক ক্যালিসের পর পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে এই তালিকায় নাম তুলেছেন তিনি।
Manual6 Ad Code
এদের মাঝে শ্রীলঙ্কার জয়াবর্ধনে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যালিস এবং ভারতের দ্রাবিড় চলে গিয়েছেন অবসরে। বর্তমানে খেলে চলেছেন ইংল্যান্ডের রুট এবং অস্ট্রেলিয়ার স্মিথ। তাদের দুজনের সামনেই আছে বিশ্বরেকর্ড গড়ার দারুণ এক সুযোগ।
Manual7 Ad Code
টেস্টে উইকেটকিপার না থাকা অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্যাচ নেয়ার কীর্তি এখন পর্যন্ত রাহুল দ্রাবিড়ের। ভারতের সাবেক অধিনায়ক এবং বিশ্বকাপজয়ী কোচ টেস্ট ক্যারিয়ারে ২১০ ক্যাচ নিয়েছিলেন। জো রুটের ক্যাচ ২০৭টি। স্মিথের ক্যাচ ২০০টি।
বিশ্বরেকর্ডের দৌড়ে রুট অনেকটা এগিয়ে থাকলেও, সামনের দিনগুলোতে রুটের সামনে টেস্ট খেলার সুযোগ নেই। বিপরীতে স্মিথ পাবেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। এরপরেই আছে নতুন চক্রে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফ্র্যাংক ওরেল সিরিজ। কিন্তু স্মিথ সেই পর্যন্ত যাবেন কি না সেটাও অনেক বড় এক প্রশ্ন।
কদিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে অবসরের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা ব্যাটার। বলেছিলেন ‘একদিন একদিন করে হিসেব করছি। অবশ্য আমি গ্রীষ্মের শেষদিকে কিছু রান করে সময়টা উপভোগ করেছি। আর সেটা দলকে সাহায্যও করেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমাদের প্রায় পূর্ণাঙ্গ একটা সিরিজ আছে। আর এরপরেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। দিন হিসেব করে পরিস্থিতি বুঝে খেলে যাব। দেখা যাক সামনে কি হয়।’
৩৫ বছর বয়েসী স্টিভ স্মিথ কিংবা ৩৪ বছরের জো রুট– দুজনেই আছেন অবসরের একেবারেই কাছাকাছি। দুজনের কেউ বিশ্বরেকর্ডের আগেই ক্রিকেটকে গুডবাই জানালে খুব একটা বিষ্ময়ের কিছু থাকছে না। রাহুল দ্রাবিড়ের রেকর্ডও সেক্ষেত্রে টিকে যেতে পারে।