স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে র্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, সিলেটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চকলেটসহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, এয়ারপোর্ট থানার মধুটিলা পীরেরগাঁওয়ের আব্দুর রশিদের ছেলে নবী হোসেন (২৬) ও শাহপরাণ থানার বালুচর জামতলা এলাকার তাহির আলীর ছেলে মো. মোজাহিদ (৩০)। রবিবার বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ টু সিলেটগামী এয়ারপোর্ট থানাধীন বড়শলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এসময় একটি পিকআপ আটক করে এতে তল্লাসী চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চকলেট উদ্ধার করে। পিকআপ থেকে ২৮ হাজার ৮ পিস বিভিন্ন ব্রান্ডের ভারতীয় চকলেট জব্দ কর হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ ৮৬ হাজার ১শ ৬০ টাকা।
Manual3 Ad Code
এদিকে, ৭৪ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিছ, কসমেটিকস ও বিভিন্ন পণ্যসহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে একটি কাভার্ড ভ্যান। গ্রেফতারকৃতরা হলো, বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার পিত্যে এলাকার তরফদার জালালের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (২৬) এবং একই এলাকার মোঃ বক্কার মোল্লার ছেলে শিমুল মোল্লা (২৭)।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার (১৬ মার্চ) রাতে শাহপরাণ থানার সুরমা গেট সংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ডের পাশে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় একটি হলুদ ও নীল রঙের কাভার্ড ভ্যান (রেজিঃ নং- খুলনা মেট্রো-ট-১১-২০২১) আটক করে এতে তল্লাসী চালিয়ে ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ২শ ৪০ টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে রেড বুল এনার্জি ড্রিংক ৪ হাজার ৫৩৬ পিস, নেহা ফাস্ট কালার মেহেদী ১৪ হাজার ৪শ পিস, এসটি ব্যান্ডের চশমা ৫ হাজার ৮শ ২০ পিস, ভারতীয় শাড়ি ৩শ ৫৪ পিস, ভারতীয় থ্রি-পিছ ২শ ৭৬ পিস, ভারতীয় লেহেঙ্গা ২৩ পিস এবং ভারতীয় জামা (ছোটদের টু-পিস) ৪২ পিস।
Manual5 Ad Code
অপরদিকে, র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ৩ জন। এরমধ্যে বন্দরবাজার এলাকা থেকে ৬ মামলার পলাতক আসামি মোবারক হোসেন মেন্দীকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার দুপুরে সিলেটের কোতয়ালী থানাধীন বন্দরবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ব্যাব-৯। গ্রেফতার মোবারক হোসেন মেন্দী (৬০) সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার উত্তর কালনিরচর এলাকার মৃত সাজিদ উল্লাহর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ঢাকা, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় ০৬টি মামলা রয়েছে।
Manual7 Ad Code
রবিবার মধ্যরাতে কিন ব্রিজ এলাকা থেকে নেত্রকোনার হত্যা মামলার পলাতক আসামী শামীম বিশ্বাস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার শামীম বিশ্বাস (২৮) নেত্রকোনা জেলার শিমুলাটি এলাকার সাদির বিশ্বাসের ছেলে। তার বিরুদ্ধে নেত্রকোনায় হত্যা মামলা রয়েছে।
তাছাড়া বন্দরবাজার এলাকা থেকে ১৬ মার্চ দিবগত রাত দেড়টার দিকে আরো একজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফাতারকৃত শওকত আলী সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার উত্তর কালনিরচর এলাকার আছদ্দর আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে।