প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সিলেট সীমান্তে ২৬ বছরে ৪বার পিছু হটেছে বিএসএফ

editor
প্রকাশিত মে ২০, ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
সিলেট সীমান্তে ২৬ বছরে ৪বার পিছু হটেছে বিএসএফ

Manual8 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট সীমান্তে গত ২৬ বছরের ইতিহাসে অন্তত ৪বার বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের দুর্দান্ত বীরত্বে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী- বিএসএফ। সর্বশেষ তার নজির আবারও স্থাপন হল গত সোমবার (১৮ মে) বিকালে গোয়াইনঘাট সীমান্তে।

Manual8 Ad Code

জানা গেছে, ওই দিন সোনার হাট সীমান্তে বিনা উস্কানিতে বিএসএফ বাংলাদেশ ভেতরে গুলি ছুঁড়লে তাৎক্ষণিক কড়া জবাব দেয় বিজিবি জোয়ানরা। তারা পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। তাদের এমন কঠোর অবস্থানের ফলে আগ্রাসী বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

Manual1 Ad Code

বিজিবি সিলেট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. নাজমুল হক জানিয়েছেন, আমদের দৃঢ় ও পেশাদার পদক্ষেপের কারণে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল।

এ সংঘর্ষের আগে গত ২৬ বছরে বিজিবি-বিএসএফ’র মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৪টি। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ঘটে ২০০১ সালে গোয়াইনঘাটের পদুয়া সীমান্তে। ওই বছর ১৬ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল সীমান্তের পদুয়া এলাকায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) ও বিএসএফ’র মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাটি ‘পদুয়া সীমান্ত সংঘর্ষ’ নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে বিএসএফ নো-ম্যানস ল্যান্ডে পাকা রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করলে ১৬ এপ্রিল রাতে বিডিআর জোয়ানরা তাদের একটি ক্যাম্প অবরোধ করে গোটা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। উভয়পক্ষে গোলাগুলি চলে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। এ সংঘর্ষে বিএসএফ’র ১৬ সদস্য নিহত হয় আর বিডিআর জোয়ানদের মধ্যে প্রাণ হারান তিনজন। এক পর্যায়ে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং ২১ এপ্রিল দুই দেশের সিদ্ধান্তে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।

Manual8 Ad Code

পরের ঘটনাটি ঘটে জকিগঞ্জ সীমান্তে। বারঠাকুরী এলাকার প্রায় ২৯৬ একর জমি বাংলাদেশি কৃষকরা চাষাবাদ করতেন। ওই জমি দখলের জন্য ভারতের হরিনগর ও চিন্নারখাল ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা অতর্কিত আক্রমণ চালায় ২০০৬ সালের ৯ আগস্ট রাত ১০টায়। সাথে সাথে প্রতিরোধ গড়েতোলে বিডিআর। এক পর্যায়ে বিএসফ মেশিন গান এবং মর্টার শেলও ব্যবহার করে। উভয় পক্ষ টানা ১২ ঘন্টা লড়াই চালায়। এতে দুই বিডিআর জোয়ান ও ৭ বেসামরিক বাংলাদেশি আহত হন। আর বিডিআরের ছোঁড়া গুলিতে আসামের কাছাড় জেলার দুই নারী নিহত হয়েছিলেন বলে সেদেশের গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করে। পরে ১০ আগস্ট দু’দেশের কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সীমান্তে শান্তি ফিরে আসে এবং বিডিআর জোয়ানরা বাংলাদেশের ভূমি রক্ষায় সক্ষম হয়।

Manual8 Ad Code

তৃতীয় ঘটনাটি ঘটে ২০০৯ সালে। বিএসএফ জৈন্তাপুরের ডিবির হাওরে চাষাবাদে বাধা দেয় এবং শাপলা বিলের ৮০ একর ভূমি দখলের চেষ্টা করলে বিডিআর জোয়ানরা প্রবল প্রতিরোধ গড়েতোলে। উভয় পক্ষে গুলাগুলির এক পর্যায়ে বিএসএফ পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়েছিল।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code