সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ–শিক্ষক: আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
সিলেটে ২৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ–শিক্ষক: আন্দোলনে উত্তাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
editor
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। আন্দোলনের মুখে টানা ২৪ ঘন্টা ধরে অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ- শিক্ষক। তাদের জানালা দিয়ে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে।
রবিবারের মতো সোমবারও শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। দাবি আদায়ে দিচ্ছেন শ্লোগান।
রবিবার সকাল ১১টায় আন্দোলন শুরুর দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। এতে ভবনের ভেতর অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক ও ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী আটকা পড়েন।
Manual1 Ad Code
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানিযেছেন, দাবি মানা না হলে তালা আর খুলবে না।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, টানা ২৪ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ। কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
Manual2 Ad Code
জানা গেছে, ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল, পুরকৌশল এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ রয়েছে। এসব বিভাগের পাঁচটি ব্যাচে প্রায় একখানেক শিক্ষার্থী। তারা প্রায় সবাই এখন আন্দোলনের অংশ।
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন। আর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন।
শিক্ষার্থীদের চাইছেন, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম শতভাগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন নিতে হবে।
Manual1 Ad Code
সোমবার দুপুর ১১টার দিকে ক্যাম্পাস থেকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নানান শ্লোগানে মুখর কলেজ ক্যাম্পাস। ‘এক দুই তিন চার, কারিগরি আমায় ছাড়’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘কারিগরির দালালরা, হুঁশিয়ার সাবধান’ ইত্যাদি শ্লোগানে ক্যাম্পাস রীতিমতো উত্তাল।
Manual2 Ad Code
আন্দোলনরতদের দাবি, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন থাকার কারণে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা দাবি জানালেও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে কলেজটিকে মুক্ত করার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন থাকার কারণে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা ক্রমাগত দাবি ও আন্দোলন করলেও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে কলেজটিকে মুক্ত করার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।