প্রকাশনার ১৬ বছর

রেজি নং: চ/৫৭৫

২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

অন্য রকম আনন্দ-আবেগে সেই ফাতেমার পরিবার

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
অন্য রকম আনন্দ-আবেগে সেই ফাতেমার পরিবার

Manual2 Ad Code

ভোলা প্রতিনিধি:

Manual2 Ad Code

দেশের প্রথম ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একান্ত সময়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক কর্তব্যনিষ্ঠ নারীর নাম আর তিনি হলেন ফাতেমা বেগম। খালেদা জিয়ার কারাজীবনের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দীর অসহায় মুহূর্ত, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাতসহ বিদেশ সফরের নীরব করিডর—সবখানেই নিবেদিত অবস্থান ছিল ৩৫ বছর বয়সী এই বিশ্বস্ত ছায়াসঙ্গীর। প্রথমবারের মতো তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় দেশজুড়ে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের আনন্দোচ্ছ্বাস থেকে এক অন্য রকম ভালো লাগা ও আনন্দে ভাসছে ফাতেমার পরিবার।

Manual7 Ad Code

ফাতেমার পরিচয় একজন গৃহপরিচারিকা। এর বাইরে তাঁর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, কোনো দলীয় পদও নেই। কিন্তু ইতিহাসের কঠিন মুহূর্তগুলোয় তাঁর উপস্থিতি তাঁকে বিশেষ করে তুলেছে। অভিভাবকতুল্য খালেদা জিয়ার জন্য নিজের পরিবার ছেড়ে দিন-রাত কাজ করেছেন তিনি। এভারকেয়ার হাসপাতালে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ছিলেন খালেদা জিয়ার পাশে। খালেদা জিয়ার পর তাঁকে এখন প্রায়ই দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে।

ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ-মাদার গ্রামে ফাতেমা বেগমের বাড়ি। আজ বুধবার তাঁর গ্রামের বাড়িতে কথা হয় মেয়ে জাকিয়া আক্তার (রিয়া), সেজ বোন মমতাজ বেগম ও বৃদ্ধ বাবা রফিজুল ইসলামের সঙ্গে। তাঁদের চোখেমুখে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস, এক অন্য রকম আবেগ!

ফাতেমার বাবা রফিজুল ইসলাম (৭৫) বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সবাই এতই ভালো মানুষ! আল্লাহ সব সময় তাদের পাশে থাকবে। তারেক রহমান আমার মেয়ে ফাতেমাকে বোনের স্বীকৃতি দিয়েছেন। এতে আমি যে সম্মান পাইছি, এর চেয়ে বেশি আর কী আশা করা যায়? আমি যা আশা করেছি, তার চেয়ে বেশি পাইছি। আমার আর কিছুই চাওয়া-পাওয়ার নাই!’

ফাতেমা বেগমের মেয়ে জাকিয়া আক্তার রিয়া হাস্যোজ্জ্বল মুখে বলেন, ‘আমরা তো কোনো রাজনীতি করি না। আমার মা দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়ার গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে। আমরা তো খুশি হবই।’ রিয়া ভোলায় স্থানীয় কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় ফাতেমা বেগমের পরিবারের মতো তাঁর এলাকায়ও আনন্দ ছড়িয়েছে একটু অন্য আবেগে। স্থানীয় জেলে মো. ইউছুফ বলেন, ‘ফাতেমা আপা আমাদের এলাকার গর্ব। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য যেটুকু করেছেন, আজকাল নিজের আপন মানুষেও এটুকু করে না।’

Manual6 Ad Code

একই সুরে সুর মিলিয়ে চা-দোকানি ইব্রাহিম আরও বললেন, ‘তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় ফাতেমার পরিবার যেমন খুশি, তেমনি আমরাও আনন্দিত।’

Manual5 Ad Code

পরিবারের সদস্যরা জানালেন, ফাতেমা বেগমের চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে ফাতেমা বড়। অন্য দুই বোন জোহরা বেগম ও নুরজাহান বেগমের বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র ভাই রুবেল ভোলা সদর উপজেলার স্থানীয় পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। ফাতেমা বেগমের মেয়ে জাকিয়া আক্তার রিয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ছেলে রিফাত (১৭) স্থানীয় টবগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ছে। ফাতেমাই দুই সন্তানের পড়ালেখার খরচসহ বাড়ির যাবতীয় খরচ বহন করেন। একসময় খুব অভাবে কাটলেও বর্তমানে ভালোভাবেই চলছে তাঁদের পরিবার।

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code