‘ব্যক্তিগত ক্ষোভে’ রুমমেটকে হাত-পা কেটে হত্যা: পুলিশ
‘ব্যক্তিগত ক্ষোভে’ রুমমেটকে হাত-পা কেটে হত্যা: পুলিশ
editor
প্রকাশিত মার্চ ১, ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানীতে যুবকের কাটা হাত-পা উদ্ধার হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ২১ বছর বয়সী শাহীন আলমকে অভিযোগ, তিনি ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে’ রুমমেট ওবায়দুল্লাহকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।
মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী জানান, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শাহীনকে শনাক্ত করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়। শাহীন মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী। তিনি ও নিহত ওবায়দুল্লাহ একই ফ্ল্যাটে রুমমেট হিসেবে থাকতেন।
রাতে পুলিশ মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের বাকি অংশ উদ্ধারের জন্য তারা কাজ চালাচ্ছেন। শুক্রবার রাতে পল্টনের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারের সামনে একটি কাটা পা উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার সকালে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে দুটি হাত এবং পরে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে আরেকটি পা উদ্ধার করা হয়।
Manual6 Ad Code
হাতের আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, লাশের খণ্ডিত অংশগুলো ৩০ বছর বয়সী ওবায়দুল্লাহর। তিনি নরসিংদীর শিবপুরের বাসিন্দা এবং একটি হোমিও প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন।
Manual7 Ad Code
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্কাউট ভবনের সামনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় একজন ব্যক্তি সাইকেলে চড়ে এসে কালো পলিথিনে কিছু ফেলে চলে যায়। ওই ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শাহীনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন আলম জানান, নিহত ওবায়দুল্লাহ তার এবং তার পরিবারকে নানাভাবে কটূক্তিমূলক আচরণ করত। ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে তিনি শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশ খণ্ডবিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।
Manual4 Ad Code
পুলিশ নিহতের লাশ টুকরো করতে ব্যবহৃত চাপাতি জব্দ করেছে এবং মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।