চাঁদপুরে ৭ মুসল্লি নিয়ে হয়ে গেলো ঈদের জামাত, এলাকায় চাঞ্চল্য
চাঁদপুরে ৭ মুসল্লি নিয়ে হয়ে গেলো ঈদের জামাত, এলাকায় চাঞ্চল্য
editor
প্রকাশিত মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ণ
Manual2 Ad Code
চাঁদপুর প্রতিনিধি:
Manual3 Ad Code
সাধারণত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন হয়ে থাকে। তবে চলতি বছর ঘটেছে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় মাত্র ৭ জন মুসল্লি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুদিন আগেই ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
Manual3 Ad Code
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে মাইকে ‘ঈদ মোবারক’ ঘোষণা দিয়ে একটি ছোট জামাতের মাধ্যমে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
Manual1 Ad Code
স্থানীয়ভাবে পরিচিত সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর ছেলে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের অনুসারীরা এই নামাজে অংশ নেন। জামাতে অংশগ্রহণকারী মুসল্লি সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ জন।
জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের চেয়েও একদিন আগে ঈদ উদযাপনের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আন্তর্জাতিকভাবে চাঁদ দেখার তথ্যের ভিত্তিতে। বিশেষ করে আফগানিস্তানসহ পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালি ও নাইজারে চাঁদ দেখার খবরকে কেন্দ্র করে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন। ওই দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে প্রথমবারের মতো চাঁদপুরের এই অংশে আগাম ঈদ উদযাপন করা হলো।
এ বিষয়ে মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নাইজার, মালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা গেছে। ইসলাম একটি বৈশ্বিক ধর্ম, চাঁদও একটি। তাই ঈদও একই দিনে হওয়া উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই আমরা আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছি।
তবে একই দরবার শরিফের ভেতরেই এ নিয়ে মতভেদ দেখা গেছে।
দরবারের আরেক অনুসারী ইয়াহিয়া চৌধুরী জানান, আমাদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। যারা নামাজ আদায় করেছে, তারা চাঁদ দেখার তথ্যকে গ্রহণযোগ্য মনে করেছে। কিন্তু আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখেছি, আফগানিস্তানে ওই সময় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা ছিল না। তাই আমরা সেটি গ্রহণ করিনি।
স্থানীয়দের মতে, এত অল্প সংখ্যক মুসল্লি নিয়ে এবং প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে ঈদ উদযাপনের ঘটনা আগে কখনও দেখা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।